
নিজস্ব প্রতিবেদক:
আদালতে হাজিরা দিতে যাওয়ার পথে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় প্রধান আসামি কেটু মিজানকে ঘিরে সামাজিকভাবে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় গণমাধ্যমকর্মী ও সচেতন মহলে নতুন করে উদ্বেগ ও ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।
জানা গেছে, গাজীপুরের বহুল আলোচিত সাংবাদিক তুহিন হত্যা মামলার প্রধান আসামি কেটু মিজান এখনও প্রভাবশালী অবস্থানে রয়েছে। সম্প্রতি আদালতে পুলিশ পাহারায় হাজিরা দিতে আসার সময় তার অনুসারীরা উপস্থিত সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে কয়েকজন সাংবাদিক আহত হন এবং তাদের ব্যবহৃত সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ঘটনার পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন—একজন হত্যা মামলার আসামি কীভাবে এখনও এতটা প্রভাব বিস্তার করে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতিতেই এমন ঘটনা ঘটাতে সক্ষম হয়?
সাংবাদিক নেতারা এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, “সাংবাদিকদের ওপর হামলা শুধু ব্যক্তির ওপর আঘাত নয়, এটি স্বাধীন গণমাধ্যমের ওপর সরাসরি হুমকি।”
এদিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদার করার কথাও জানানো হয়েছে।
সচেতন মহল মনে করছে, গাজীপুরের তুহিন হত্যা মামলার দ্রুত বিচার এবং এ ধরনের হামলার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণই পারে জনমনে আস্থা ফিরিয়ে আনতে।