
চট্টগ্রাম ব্যুরো:
চট্টগ্রাম ওয়াসা–এর বরখাস্ত সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে এম ফজলুল উল্লাহ–এর ছোট ভাই আজাদ কমিশনারের বিরুদ্ধে জমি দখল ও প্রভাব খাটানোর গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ ঠেকাতে কিছু সাংবাদিককে অনৈতিক প্রস্তাব দিয়ে ‘ম্যানেজ’ করার চেষ্টা করা হয়েছে। কী অভিযোগ?
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নোয়াখালী একটি বাণিজ্যিক গুরুত্বসম্পন্ন এলাকায় মালিকানা বিরোধপূর্ণ একটি জমি দখলের অভিযোগ ওঠে। অভিযোগকারীদের দাবি, প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় জমিটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এ সংক্রান্ত কিছু দলিল, নথি ও অডিও-ভিডিও তথ্য ইতোমধ্যে কয়েকজন সাংবাদিকের হাতে পৌঁছেছে বলে জানা গেছে।
সাংবাদিকদের প্রভাবিতের অভিযোগ
একাধিক গণমাধ্যমকর্মী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, অভিযোগসংক্রান্ততথ্য প্রকাশ না করতে তাদের কাছে ‘সমঝোতার’ প্রস্তাব আসে।কেউ কেউ এটিকে সরাসরি অনৈতিক আর্থিক অফার বলেও দাবি করেছেন।
যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ প্রকাশ্যে বক্তব্য দিতে রাজি হননি।
অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য
অভিযুক্তদের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, “এটি সম্পূর্ণ দেওয়ানি বিরোধ। এখানে কোনো দখল বা প্রভাব খাটানোর ঘটনা ঘটেনি। সাংবাদিকদের প্রভাবিত করার অভিযোগও ভিত্তিহীন।”
তবে সরাসরি আজাদ কমিশনার বা তার আইনজীবীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।
আদালতে যাচ্ছেন অভিযোগকারীরা
অভিযোগকারী পক্ষ জানিয়েছে, তাদের কাছে থাকা প্রমাণাদি যথাসময়ে আদালতে উপস্থাপন করা হবে। তারা বলেন, “আমরা আইনের ওপর আস্থা রাখি। বিচারিক প্রক্রিয়াতেই সত্য বেরিয়ে আসবে।”
সুশীল সমাজের উদ্বেগ
নোয়াখালী সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা মনে করছেন, অভিযোগগুলো সত্য হলে তা কেবল জমি দখলের ঘটনা নয়—এটি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সুশাসনের জন্য বড় হুমকি। তারা নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।