
মো: শাহজালাল সুমন:
তুরাগ ঢাকা :আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঢাকা–১৮ আসনে বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের পক্ষে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চেয়ে নিরলস প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন তুরাগ থানা বিএনপির অন্যতম নেতা আব্দুর রহমান ভুলু। নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই তাঁর প্রচারণা কার্যক্রমে নতুন গতি ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে আব্দুর রহমান ভুলু তুরাগ থানার বিভিন্ন ওয়ার্ড ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে নিয়মিত গণসংযোগ, পথসভা, লিফলেট বিতরণ ও মিছিল কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন।
এসব কর্মসূচির মাধ্যমে তিনি সাধারণ ভোটারদের কাছে ধানের শীষ প্রতীকের বার্তা পৌঁছে দিচ্ছেন এবং ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করছেন।
নির্বাচনী প্রচারণার শেষ দিনেও ছিল ব্যস্ত ও কর্মচঞ্চল সূচি। ৯ জানুয়ারি সোমবার দুপুরে তিনি উত্তরা দিয়াবাড়ি এলাকায় নার্সারি মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেন। এ সময় ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে একটি বিশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলে অংশগ্রহণকারী নেতাকর্মীদের স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে মিছিলে সাড়া দেন এবং প্রার্থীর প্রতি সমর্থন জানান।
পরবর্তীতে সন্ধ্যায় তুরাগ খালপাড় কাঁচাবাজার এলাকায় বিভিন্ন ব্যবসায়ীর সঙ্গে মতবিনিময় করেন আব্দুর রহমান ভুলু। তিনি ব্যবসায়ীদের খোঁজখবর নেন এবং দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। এ সময় দোকানগুলোতে ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে দোয়া ও প্রার্থনা করা হয়। পরে ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীর মাঝে লিফলেট বিতরণ করা হয় এবং একটি মিছিলের মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।
গণসংযোগকালে আব্দুর রহমান ভুলু বলেন, দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে ধানের শীষ প্রতীকের কোনো বিকল্প নেই। বর্তমান পরিস্থিতিতে জনগণ পরিবর্তন চায়। আমি বিশ্বাস করি, এবারের নির্বাচনে মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষে ভোট দিয়ে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করবে। তিনি আরও বলেন, ঢাকা–১৮ আসনের মানুষ উন্নয়ন, ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্রের পক্ষে রয়েছে। এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন একজন জনবান্ধব নেতা, যিনি নির্বাচিত হলে এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করবেন।
উল্লেখ্য, নির্বাচনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তুরাগ থানা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। ধারাবাহিক এসব কর্মসূচির মাধ্যমে ভোটারদের মধ্যে ধানের শীষ প্রতীকের প্রতি ব্যাপক আগ্রহ ও সমর্থন তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।