
কাজি আরিফ হাসান:
দীর্ঘ ১৭ বছর কেটে যায় আওয়ামী শাসন। এরপরে ৫ আগস্টের নৈরাজ্যের মধ্য দিয়ে অন্তর্বতী সরকারের দেড় বছর । দেশের মানুষের প্রত্যাশা ছিলো নির্বাচনে জনগণের ভোটে গণতান্ত্রিক সরকার আসলে দেশের নৈরাজ্য কমে যাবে।
১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বিএনপি সরকারের আগমন, এর পরও দেশে সন্ত্রাসী, চা়ঁদাবাজি, হত্যা,প্রকাশ্যে মাদক সেবন ও বেচাকেনা,লুটপাট,ধর্ষণ,সেই সঙ্গে কিশোর অপরাধের দৌরাত্ম্য বেড়েই চলেছে।
দেশে সাধারণ জনতার প্রশ্ন এখন আওয়ামি লীগ ক্ষমতা থেকে বিতাড়িত ও তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হলেও এখনোও কেনো দেশের মধ্যে সংঘাত-সহিংসতা ও নৈরাজ্য? শুধু তাই নয় অন্তর্র্বতী সরকারের আগমনের পর থেকে চলনান সরকারের সময়ও কিশোর অপরাধ আরো বেড়ে গেছে দেশে,তারা বেপরোয়া চলাচল,মাদক সেবন ও প্রকাশ্যে অনলাইন জুয়া খেলা বেড়েই চলছে,তাদের অপরাধও দ্বিগু বেড়ে গেছে,মানে না বড়দের প্রতি শ্রদ্ধা।
কিন্ত দেশের আপামর জনগণ প্রশ্ন, এটা তো চায়নি দেশে জনগণ,আর এই নৈরাজ্য কে ঠেকাবে? তথ্য নিয়ে জানা যায়, বিভিন্ন এলাকা-মহল্লায় কোনো ঘটনা ঘটলে প্রশাসনে নিরাবতা যে দেশে সাধারণ মানুষে মনের মধ্যে চাপা ক্ষোভ। প্রশাসনকে নৈরাজ্যের বিষয় সাধারণ মানুষ অবগত করলেও তাদের নিরবতা দেশে অপরাধ প্রবনতা আরো বাড়িয়ে দেয়! এখনো শিক্ষার্থীদের মাঠে থাকতে দেখা যায়,তারা মানছে না কোনো শাসন।
তাদের যে সময় শিক্ষা নিয়ে ব্যস্ত থাকার কথা তখন তারা মারামারি,লুটতরাজ, অপরাধে লিপ্ত থাকে,তারা অপরাধমূল কাজে ব্যস্ত,আর তাদের অপরাধে কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে হতে হয় নির্যাতনের শিকার। নৈরাজ্য য়েনো থামছেই না জ্বালাও-পোড়াও হয়েই চলেছে দেশেজুড়ে। এই নৈরাজ্যে যেনো লিপ্ত থাকে বর্তমান কিশোর-যুবকেরা। এদিকে এক শ্রেনি নিত্যপন্যে সিন্ডিকেট তৈরি করে পুরোদেশটা অস্থিতিশীল করে রাখতে চায়। এদিকে সুশীল সমাজ বলে,ভাঙ্গতে হবে সিন্ডিকেট, রুখতে হবে নৈরাজ্য।
শুধু তাই নয় এ সুযোগ অনেকেই তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে অনেকেই "মব" সৃষ্টি করে দেশে নৈরাজ্য তৈরি করতে দেখা যায়। সাধারণ মানুষের কথা এটা যেনো "মবে" রাজ্য। এ সমাজ এমন পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে চায়। সেজন্য প্রশাসনকে হতে হবে কঠোর,শিক্ষার্থীদের ফিরতে হবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে,দেশকে করতে দুর্নীতি মুক্ত, তাহলে হতে পারে সুন্দর একটি দেশ,গড়তে হবে সুন্দর একটি দেশ।