
৯১ রাজনীতির রং পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে এক শ্রেণির শিল্পপতি ও প্রভাবশালী ব্যবসায়ীদের অবস্থান বদলানো নতুন কিছু নয়—এমন মন্তব্য এখন নোয়াখালীর রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচিত। নোয়াখালীর চৌমুহনী এলাকার প্রভাবশালী ব্যবসায়ী, সেতু ফিডের মালিক সোহেল মিয়াকে ঘিরে এমনই নানা আলোচনা চলছে।
অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগের শাসনামলে প্রায় ষোলো বছর নোয়াখালী সদর–৪ আসনের সাবেক ও বর্তমানে গ্রেফতারকৃত সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরীর আস্থাভাজন হিসেবে তিনি কোটি কোটি টাকা রাজনৈতিক অনুদান দিয়েছেন। স্থানীয়ভাবে প্রচলিত কথাবার্তায় জানা যায়, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নোয়াখালী বিপুল অঙ্কের অর্থ লগ্নি করছেন বলেও আলোচনা রয়েছে।
যদিও সোহেল মিয়া নিজেকে একজন ব্যবসায়ী হিসেবেই পরিচয় দেন, তবে নোয়াখালী সদর উপজেলার ৯০ নং চর দরবেশ মৌজায় সরকারি খাস জমি দখলকে কেন্দ্র করে তিনি বর্তমানে ব্যাপক আলোচনায় রয়েছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিষয়টি নিয়ে নোয়াখালী ভূমি অফিস ও সুধারাম থানায় একাধিক অভিযোগ থাকলেও তিনি সেগুলোর কোনো তোয়াক্কা করছেন না।
আরও অভিযোগ করা হয়, সরকারি খাস জমি দখল ও নিয়ন্ত্রণে রাখতে নোয়াখালী ছয় নম্বর ইউনিয়নের কাজীরটেক বাজার এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী আবদুর রবকে ব্যবহার করা হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, আবদুর রবের মাধ্যমে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে সরকারি জমি দখলে রাখা হচ্ছে।
চর দরবেশ বাজার ও আশপাশের এলাকার বাসিন্দারা জানান, এসব কর্মকাণ্ডের ফলে খাস জমির বন্দোবস্তপ্রাপ্ত প্রকৃত দরিদ্র ও ভূমিহীন পরিবারগুলো চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। তারা সরকারি খাস জমি রক্ষা এবং ভূমিহীনদের অধিকার নিশ্চিত করতে নোয়াখালী জেলা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সোহেল মিয়া ও আবদুর রবের মুঠোফোনে
বক্তব্য পাওয়া যায়নি।