কাজি আরিফ হাসানঃ
আর মাত্র দিন বাকি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। আর এ নির্বাচনে সারাদেশে বিএনপি,বাংলাদেশ জামায়াত ইসলাম, জাতীয় পার্টি,হেফাজতে ইসলাম,চরমোনাই পীর, এনসিপি(জোট)সহ বিভিন্ন দলের প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা শেষ মুহূর্তে তাদের প্রাচার-প্রচারণায় ব্যাস্ত সময় পার করছেন! সারাদেশ ফেস্টুন,ব্যানার, লিফলেটে ছেয়ে গেছে। এলাকা ভিত্তিক পাড়া-মহল্লায় ট্রাকে,অটোরিকশায় মাইকিং করে প্রার্থীদের প্রচারণা। ইতোমধ্যে সারাদেশে ব্যালট বাক্স,ব্যালট পেপারসহ নির্বাচনী সরঞ্জাম যেতে শুরু করেছে। ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে সারাদেশে প্রচারণা বন্ধ থাকবে নির্বাচন পর্যন্ত।
নির্বাচনে সারাদেশ নিরাপত্তা জোরদার করা হচ্ছে। নির্বাচন সুষ্ঠু করার লক্ষ্যে এবং সহিংস ঘটনা এড়াতে দেশের সর্বত্র পুলিশ,আনসার,র্যাব(নতুন নাম এসআইএফ),সেনাবাহিনীসহ বিজিবি মোতায়ন থাকবে। নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তায় থাকছে ড্রোন ক্যামেরা,কোস্ট গার্ড ও নৌবাহিনীর যুদ্ধ জাহাজ। নির্বাচন কেন্দ্র গুলোতে থাকছে সিসি ক্যামেরা আওতায়। নির্বাচনে সহিংস ঘটনা এড়াতে প্রশাসন সর্বদা প্রস্তুত। নির্বাচন অংশগ্রহণকারি দল গুলো তাদের নির্বাচনী ইশতেহারও ঘোষণা করেছে। ইতোমধ্যে সব দলগুলো সারাদেশে নির্বাচনী জনসভা ও পথসভা শেষের দিকে।
এদিকে সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়,ঢাকা-১৮ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন(ধানের শীর্ষ প্রতীক),এনসিপি মনোনীত প্রার্থী আরিফুল ইসলাম (শাপলা কলি),জাতীয় পার্টি(লাঙ্গল প্রতীক),মাহমুদ রহমান মান্না(স্বতন্ত্র,কেটলি প্রতীক)সহ অন্যান্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শেষ মুহূর্তে তারা তাদের প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। সবাই নিজেদের প্রতীকের প্রচারণা পাশাপাশি গণভোট “হ্যা” দেয়ার জন্যও ভোটারদের মাঝে প্রচার চালাচ্ছেন নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যায়ে। এদিকে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা ১২ ফেব্রুয়ারিত ভোট কেন্দ্রের ৪০০ গজের ভিতরে ভোটাররা ছাড়া কেউ অবস্থান করতে পারবে না। ১২ ফেব্রয়ারি(বৃহস্পতিবার) সকাল ৮ থেকে ভোট গ্রহন শুরু হয়ে ১ ঘন্টা বিরতিতে টানা বিকেল ৪ টা পর্যন্ত চলবে। দেশের জনগণ অপেক্ষায় নতুন বাংলাদেশ গড়ায় ১২ ফেব্রুয়ারি দেখতে চায় অবাধ,সুষ্ঠু ও গ্রহনযোগ্য নির্বাচন।এদিকে নির্বাচনের দিন ভোটাররা ভোট দেয়ার পর কেন্দ্রের আশপাশের না থাকার জন্য নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা।