ঢাকা, সনিবার তারিখ ১১ এপ্রিল ২০২৬: ইং
ডেঙ্গু প্রতিরোধে নগরবাসীর সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি)-এর প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।
তিনি বলেন, “ডেঙ্গু থেকে আমাদের সন্তানদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই এই বিশেষ মশক নিধন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। পরিচ্ছন্নকর্মী ও মশককর্মীরা দায়িত্ব পালন করবেন, তবে নগরবাসীর সহযোগিতা ছাড়া এই কার্যক্রম সফল হবে না।”

রাজধানীর ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড আদর্শ বিদ্যানিকেতন প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ডিএনসিসির বিশেষ প্রচারাভিযান “Operation Clean Homes, Healthy Lives”-এর উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রশাসক আরও জানান, সামনে বৃহত্তর পরিসরে মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। ডিএনসিসির আওতাধীন এলাকায় কোথাও জলাবদ্ধতা বা রাস্তা-সংক্রান্ত সমস্যা থাকলে এলাকাবাসীকে দ্রুত জানাতে অনুরোধ করেন তিনি, যাতে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
কর্মসূচির সময়কাল ও কার্যক্রম
এই বিশেষ প্রচারাভিযান চলবে আগামী ২১ মে ২০২৬ পর্যন্ত। প্রতিদিন ডিএনসিসির ১০ জন এবং BRAC-এর ১০ জন মশককর্মী এতে অংশ নেবেন। পাশাপাশি প্রতি শনিবার মোট ২১টি বিশেষ মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
অন্যান্য বক্তাদের বক্তব্য
প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-২ আব্দুর রহমান সানী বলেন, মশা নিয়ন্ত্রণ কেবল সরকারের একার দায়িত্ব নয়—এতে সকল নাগরিকের সচেতনতা ও দায়িত্বশীলতা জরুরি। সম্মিলিত উদ্যোগই পারে ডেঙ্গু সমস্যার কার্যকর সমাধান দিতে।
ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, “ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করতে হবে নিজ নিজ বাসা থেকেই। জনগণের সম্পৃক্ততা ছাড়া কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন সম্ভব নয়।”
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী।
সচেতনতার আহ্বান
অনুষ্ঠানে সবাইকে নিজ নিজ বাসাবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখা, জমে থাকা পানি অপসারণ এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়।
সারসংক্ষেপ:
ডিএনসিসির এই উদ্যোগে সরকারি সংস্থার পাশাপাশি নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সম্মিলিত সচেতনতা ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখলেই ডেঙ্গুর ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।