
কাজি আরিফ হাসানঃ
রাজধানীর উত্তর সিটির শাখা সড়কের কাজ থেমে থাকায় যেন মরণ ফাঁদ,সেই সঙ্গ বেড়েছে মশার উপদ্রব। সরেজমিনে তথ্য নিয়ে জানা গেছে এই কেসি স্কুল রোড একটু বৃষ্টি হলেই সড়কটি ডোবায় পরিনত হয়। শুধু তাই নয় জমে থাকা পানি দ্রুত সরার জন্য ড্রেনেজ সুব্যবস্থাও নেই,এলাকাবাসীর সীমাহীন ভোগান্তি পড়তে দেখা যায়। এদিকে গত আনুমানি সেপ্টেম্বর মাসের শুরুতে দক্ষিণ খানের এই শাখা সড়ক কাজ শুরু হতে দেখা যায়। তবে দক্ষিণ খানের কোনো কোনো শাখা সড়ক গুলোর কাজও শেষ হতে দেখা যায়।
তথ্য নিয়ে জানা গেছে,এ সড়ক সংস্কারের কাজ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ ইঞ্জিয়ারিং কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড তত্ত্বাবধানে চলমান। এদিকে দক্ষিণ খান প্রধান সড়কের সঙ্গে সংযুক্ত প্রেমবাগান পূর্ব থেকে হাজী ক্যাম্প সংলগ্ন সড়কটি পশ্চিমের মোড় পর্যন্ত সড়কটি সংস্কারের হওয়ার কথা রয়েছে। এদিকে কেসি স্কুল রোডের পশ্চিম সড়কটির দুই পাশ ৪ ফিট ড্রেনেজ ব্যবস্থার জন্য ভেঙ্গে সড়কটি সংস্কারের পাশাপাশি বড় করার কথা আর সাবেক মহিলা কাউন্সিলরে বাড়ি মোড় থেকে সড়কটি এক পাশ থেকে কিছুটা অংশ কাটা শুরু করলে এলাকার কিছু স্থানীয়দের ভবনের আংশিক অংশ পড়লে তারা তাদের সুবিধার জন্য সড়কটির কাজ করতে বাধা দেয়,আর যে কারনে কিছু অংশ কাটা অবস্থায় কাজ বন্ধ থাকে। এদিকে এ শাখা সড়কটি খোড়াখুড়ির কাজ বন্ধ থাকায় এই বন্ধ থাকা গর্তে ময়লা আবর্জনায় স্তুপ পরিনত হয় এবং পানি জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়,শুধু তাই নয় জলাবদ্ধতা থাকার কারনে এই এলাকার বাসিন্দাদের চলাচলে চমর বাঁধা সম্মুখীন হতেও দেখা যায়।
এদিকে এলাকাবাসীর অনেকেই গণমাধ্যমকে জানান,এভাবে সড়কটি কাজ বন্ধ থাকা গর্তে জমে থাকা পানিতে জন্ম নেয় মশা,আর এ মশার উপদ্রব কারনে এলাকার অনেকেরই ডেঙ্গুতে আক্রান্তও বিষয়ে এলাকার এক স্থানীয় বলেন, মশার কামড়ে বেল্লাল নামে এক ব্যক্তি ৭/৮ জ্বরে ভুগেছেন,কাপড় দোকানদার আব্দুল কাদের,অন্য এক ব্যক্তি রহিম বলেন,এই মশার কামড়ে তিনিও এক সপ্তাহ জ্বরে ভুগেছে তিনি,এলাকার এক বাসীন্দা সায়েদুল বলেন,এই মশার কামড়ে তার পরিবারের সবাই জ্বরে ভুগেছেন ১০/১২ দিন ধরে,এছাড়াও এলাকার আরো অনেক নারী-পুরুষরা ও শিশুরাও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় রয়েছে।
এলাকার স্থানীয়রা জানান,সিটি করপোরেশন মাসে একবার অথবা দুই বার মশার ওষুধ ছিটায়,কিন্ত সড়কটি কেটে ফেলে রাখায় গর্ত হওয়ায় এবং সেখানে জলাবদ্ধতা হওয়ায় তাতে কোনো লাভই হয় না বরং মশার বিস্তার আরো বৃদ্ধি পায়,তাই এই কেসি স্কুল রোডটি যত দ্রুত সম্ভব সংস্কার করা তাদের দাবি। এলাকার অনেকেই জানান,এই এলাকার অনেক সুবিধাবাদি বাড়িয়ালাদের কারনে অনেক মানুষের ভোগান্তি হচ্ছে,তারা আরও জানান মাসের পর মাস এভাবে সড়কটি আংশিক খুড়ে বন্ধ থাকতে পারে না! এ সড়কটি যাতে দ্রুত সংস্কারের কাজ শেষ করা হয় সে জন্য গত ২৪ নভেম্বর (সোমবার) এলাকাবাসীর সহযোগিতায় এক মানববন্ধন হতে দেখা যায়।