সংবাদ শিরোনাম
‎যশোরে বিজিবির অভিযানে আড়াই লক্ষ টাকার মাদক ও অবৈধ মালামাল আটক সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের নতুন কমিটি গঠন মিরপুর শাহ আলী মাজারে হামলার অভিযোগ, নিন্দা জানিয়েছে সুফিবাদ ঐক্য পরিষদ মধ্যস্বত্বভোগী নির্মূলে বড় পদক্ষেপ: যশোরের কৃষকদের সাথে সরাসরি যুক্ত হচ্ছে কতকিছুর হাট আওয়ামী নেতা ও সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের প্রয়ানে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিভিন্ন মহলের শোক আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে ইমাম ও মাংস প্রস্তুতকারীগণের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ডিএনসিসি। হেযবুত তওহীদের গোলটেবিল বৈঠক “মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা” নিশ্চিতে ৯ দফা প্রস্তাবনা উল্টোপথে যানবাহন চলাচল করলেই ডিজিটাল মামলা : ডিএমপি কমিশনার চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‍্যাবের বড় অভিযান পৌনে ৭ কেজি হেরোইনসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার গুটিকয়েক মানুষের জন্য পুরো মিরপুরবাসি কষ্ট করবে এটা হতে পারে না-ডিএনসিসি প্রশাসক

কনটেন্ট ক্রিয়েটর পরিচয়ে অনুমতি ছাড়া ভিডিও ধারণ ও প্রচার এখন শাস্তিযোগ্য অপরাধ

admin / ২৬ Time View
Update : বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬

52

নিউজ | দৈনিক ঢাকার কণ্ঠ

ঢাকা: কনটেন্ট ক্রিয়েটর পরিচয়ে মোবাইল বা ক্যামেরা ব্যবহার করে কোনো ব্যক্তির অনুমতি ছাড়া ভিডিও ধারণ এবং তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করলে এখন থেকে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে এক লিখিত উত্তরে জানান, নতুন প্রণীত সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬-এ এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে স্পষ্টভাবে অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, অনুমতি ছাড়া ভিডিও ধারণ, ব্ল্যাকমেইল, যৌন হয়রানি, রিভেঞ্জ পর্ন কিংবা সেক্সটরশন—সবই এই আইনের আওতায় দণ্ডনীয় অপরাধ।

আইন অনুযায়ী, এ ধরনের অপরাধে সর্বোচ্চ ২ বছর কারাদণ্ড অথবা ১০ লাখ টাকা জরিমানা কিংবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে। তবে ভুক্তভোগী যদি নারী বা ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু হন, তাহলে শাস্তি বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড বা ২০ লাখ টাকা জরিমানা করা যেতে পারে।

এছাড়া ভিডিও প্রকাশের হুমকি দিয়ে চাঁদা দাবি করলে তা সাইবার প্রতারণা হিসেবে বিবেচিত হবে। এ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড বা ৫০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

মন্ত্রী আরও জানান, ক্ষতিকর কনটেন্ট দ্রুত অপসারণ বা ব্লক করার ক্ষমতা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সাইবার অপরাধ শনাক্ত ও প্রতিরোধে জাতীয় পর্যায়ে বিশেষায়িত টিম গঠন এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে।

তদন্ত প্রক্রিয়া জোরদার করতে ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে। এর মাধ্যমে ভিডিওর উৎস, ব্যবহৃত ডিভাইস এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হবে।

তিনি আরও বলেন, দেশের বাইরে থেকে সংঘটিত এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রেও এই আইন প্রযোজ্য হবে এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনা হবে।

সরকারের আশা, আইনটির কার্যকর প্রয়োগ হলে অনুমতি ছাড়া ভিডিও ধারণ ও অনলাইন হয়রানির প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category