সংবাদ শিরোনাম
‎যশোরে বিজিবির অভিযানে আড়াই লক্ষ টাকার মাদক ও অবৈধ মালামাল আটক সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের নতুন কমিটি গঠন মিরপুর শাহ আলী মাজারে হামলার অভিযোগ, নিন্দা জানিয়েছে সুফিবাদ ঐক্য পরিষদ মধ্যস্বত্বভোগী নির্মূলে বড় পদক্ষেপ: যশোরের কৃষকদের সাথে সরাসরি যুক্ত হচ্ছে কতকিছুর হাট আওয়ামী নেতা ও সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের প্রয়ানে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিভিন্ন মহলের শোক আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে ইমাম ও মাংস প্রস্তুতকারীগণের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ডিএনসিসি। হেযবুত তওহীদের গোলটেবিল বৈঠক “মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা” নিশ্চিতে ৯ দফা প্রস্তাবনা উল্টোপথে যানবাহন চলাচল করলেই ডিজিটাল মামলা : ডিএমপি কমিশনার চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‍্যাবের বড় অভিযান পৌনে ৭ কেজি হেরোইনসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার গুটিকয়েক মানুষের জন্য পুরো মিরপুরবাসি কষ্ট করবে এটা হতে পারে না-ডিএনসিসি প্রশাসক

বর্তমান সমাজ বলছে মাদক একটি মরণব্যাধি শুধু নয় সমাজের অবক্ষয় বটে

টঙ্গীতে মাদকের সাম্রাজ্য—এরশাদ নগরকে ঘিরে সিন্ডিকেট, আতঙ্কে এলাকাবাসী

admin / ৫৯ Time View
Update : বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬

90

নিউজ দৈনিক ঢাকার কন্ঠ

বিশেষ অনুসন্ধানী : প্রতিবেদন এস এম সাইদ হোসেন রিপন

গাজীপুরের টঙ্গী এলাকায় আবারও সামনে এসেছে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার। বিশেষ করে এরশাদ নগর বস্তিকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে একটি শক্তিশালী মাদক সিন্ডিকেট—যার নেতৃত্বে রয়েছেন পারুল ও তার স্বামী মানিক, এমনটাই অভিযোগ স্থানীয়দের।

সিন্ডিকেটের বিস্তার ও অভিযোগ

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে পারুল ও মানিক প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করলেও রহস্যজনক কারণে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দৃশ্যমান কোনো কঠোর পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। ফলে এলাকাবাসীর মধ্যে চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, পারুল এরশাদ নগর এলাকার অন্যতম শীর্ষ মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত। স্থানীয়দের দাবি, তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। তবে এসব মামলার পরও তিনি নির্বিঘ্নে তার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে প্রভাব

অন্যদিকে, তার স্বামী মানিক নিজেকে ‘যুবদল নেতা’ হিসেবে পরিচয় দিয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করছেন। স্থানীয়দের মতে, এই রাজনৈতিক পরিচয়ই তাদের অবৈধ কর্মকাণ্ডকে আড়াল করার ঢাল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, মানিকের প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে পারুলের মাদক ব্যবসা আরও বিস্তৃত হয়েছে। মাদকের সহজলভ্যতা

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বাসিন্দা জানান, এরশাদ নগর বস্তির ভেতরে ইয়াবা, গাঁজা থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের মাদক সহজলভ্য। পুরো নেটওয়ার্ক পারুল ও মানিকের নিয়ন্ত্রণেই পরিচালিত হয়। কেউ প্রতিবাদ করলে তাদের বিরুদ্ধে মামলা কিংবা রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগের ভয় দেখানো হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

এছাড়াও অভিযোগ উঠেছে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কিছু অসাধু সদস্যের সঙ্গে সখ্যতার কারণে বারবার আইনের ফাঁক গলে বেরিয়ে যাচ্ছেন এই দম্পতি। মাঝে মাঝে অভিযান পরিচালিত হলেও মূল হোতারা অধরাই থেকে যাচ্ছেন বলে দাবি এলাকাবাসীর। সচেতন মহলের উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, এভাবে চলতে থাকলে টঙ্গীর তরুণ সমাজ মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়বে। তারা অবিলম্বে প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ এবং মাদক নির্মূলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

সুশীল সমাজের অভিমত, রাজনৈতিক পরিচয় যাই হোক না কেন, মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়ন ছাড়া এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ সম্ভব নয়।

স্থানীয় সুশীল সমাজের জোর দাবি জানান।

প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়েছে—দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় এনে টঙ্গীকে মাদকমুক্ত করা হোক।

এই প্রতিবেদনটি স্থানীয় সূত্র, প্রত্যক্ষদর্শী এবং সচেতন মহলের বক্তব্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য সংযুক্ত করা হলে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category