সংবাদ শিরোনাম
‎যশোরে বিজিবির অভিযানে আড়াই লক্ষ টাকার মাদক ও অবৈধ মালামাল আটক সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের নতুন কমিটি গঠন মিরপুর শাহ আলী মাজারে হামলার অভিযোগ, নিন্দা জানিয়েছে সুফিবাদ ঐক্য পরিষদ মধ্যস্বত্বভোগী নির্মূলে বড় পদক্ষেপ: যশোরের কৃষকদের সাথে সরাসরি যুক্ত হচ্ছে কতকিছুর হাট আওয়ামী নেতা ও সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের প্রয়ানে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিভিন্ন মহলের শোক আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে ইমাম ও মাংস প্রস্তুতকারীগণের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ডিএনসিসি। হেযবুত তওহীদের গোলটেবিল বৈঠক “মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা” নিশ্চিতে ৯ দফা প্রস্তাবনা উল্টোপথে যানবাহন চলাচল করলেই ডিজিটাল মামলা : ডিএমপি কমিশনার চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‍্যাবের বড় অভিযান পৌনে ৭ কেজি হেরোইনসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার গুটিকয়েক মানুষের জন্য পুরো মিরপুরবাসি কষ্ট করবে এটা হতে পারে না-ডিএনসিসি প্রশাসক

১১ নম্বার সেক্টর ও কমান্ডার ১৬ জন

মহান মুক্তিযুদ্ধে ১১টি সেক্টরে মোট ১৬ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা সেক্টর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁদের মধ্যে জীবিত ১জন।

admin / ৬১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬

106

নিউজ দৈনিক ঢাকার কন্ঠ 

মহান মুক্তিযুদ্ধে ১১টি সেক্টরে মোট ১৬ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা সেক্টর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁদের মধ্যে এখন জীবিত আছেন মাত্র এক জন।

বাকি সবাই মৃত্যুবরণ করেছেন। আজকের আলোচনা তাঁদের মৃত্যু কীভাবে হলো তা নিয়ে…

১১ টি সেক্টরের কমান্ডারের তালিকা- 

১ নং সেক্টর: মেজর জিয়াউর রহমান (এপ্রিল-জুন), ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম।

২ নং সেক্টর: মেজর খালেদ মোশাররফ (এপ্রিল-সেপ্টেম্বর), মেজর এটিএম হায়দার।

৩ নং সেক্টর: মেজর কে এম শফিউল্লাহ (এপ্রিল-সেপ্টেম্বর), মেজর এ এন এম নূরুজ্জামান।

৪ নং সেক্টর: মেজর চিত্ত রঞ্জন দত্ত (সিআর দত্ত)।

৫ নং সেক্টর: মেজর মীর শওকত আলী।

৬ নং সেক্টর: উইং কমান্ডার এম খাদেমুল বাশার।

৭ নং সেক্টর: মেজর নাজমুল হক, মেজর কাজী নুরুজ্জামান।

৮ নং সেক্টর: মেজর আবু ওসমান চৌধুরী, মেজর এম এ মনজুর।

৯ নং সেক্টর: মেজর এম এ জলিল।

১০ নং সেক্টর: নৌ-কমান্ডাররা (কমান্ডার এমএইচ খান)।

১১ নং সেক্টর: মেজর জিয়াউর রহমান, মেজর আবু তাহের।

১৬ জনের মধ্যে এই মুহূর্তে একমাত্র জীবিত সেক্টর কমান্ডার হলেন ১ নং সেক্টরের (জুলাই-ডিসেম্বর) কমান্ডার ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম (ছোট ছবি)। তিনি চাঁদপুর থেকে নির্বাচিত এমপি এবং ১৯৯৬ সালের আওয়ামী লীগ সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন।

অবশিষ্ট ১৫ জন মৃত্যুবরণ করেছেন। 

তাঁদের মধ্যে ৭ নং সেক্টরের কমান্ডারের মেজর নাজমুল হক মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর মাত্র ৩০ বছর বয়সে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন।

মুক্তিযুদ্ধের পর ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সেনাবাহিনীর সৈনিকদের(বিপ্লবী) গুলিতে নিহত হন ২ নং সেক্টরের কমান্ডার মেজর খালেদ মোশাররফ বীরউত্তম (এপ্রিল-সেপ্টেম্বর) ও মেজর এটিএম হায়দার।

সেদিন ৮ নং সেক্টরের কমান্ডার আবু ওসমান চৌধুরীর বাসায়ও খোঁজ করা হয়। তাঁকে না পেয়ে তাঁর স্ত্রী নাজিয়া ওসমান চোধুরীকে হ’ত্যা করা হয়। উল্লেখ্য, ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত একমাত্র নারী সদস্য ছিলেন নাজিয়া ওসমান চোধুরী।

১১ নং সেক্টরের কমান্ডার কর্ণেল আবু তাহের বীরউত্তম পরবর্তীতে জাসদের রাজনীতির সাথে জড়িত হন। ৭ নভেম্বরের সিপাহী-জনতা বিপ্লবের অন্যতম নেতা ছিলেন তিনি। ১৯৭৬ সালে তাঁর ফাঁসি কার্যকর করা হয়। তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র ৩৭ বছর।

সেক্টর ৬ এর কমান্ডার উইং কমান্ডার খাদেমুল বাশার বীরউত্তম বিমান বাহিনী প্রধান থাকা অবস্থায় ১৯৭৬ সালে নিজে বিমান চালাতে গিয়ে বিমান বিধ্বস্ত হয়ে মাত্র ৪১ বছর বয়সে ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।

প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীরউত্তম প্রেসিডেন্ট থাকা অবস্থায় ১৯৮১ চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সেনাবাহিনীর কিছু সদস্য কর্তৃক ব্রাশফায়ারে নির্মমভাবে নিহত হন।

মেজর জেনারেল মঞ্জুর বীরউত্তম প্রেসিডেন্ট জিয়াউর বীরউত্তম হত্যার পর গ্রেফতার হন এবং সেনা হেফাজতে থাকা অবস্থায় ১৯৮১ সালে মৃত্যুবরণ করেন/নিহত হন।

অবশিষ্ট সেক্টর কমান্ডারগণ বিভিন্ন সময়ে স্বাভাবিক মৃত্যুবরণ করেন।

আজ এ পর্যন্ত থাকুক। সবাইকে মহান স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা 🇧🇩


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category