মাধবপুর দুই সাংবাদিকের সঙ্গে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার দুর্ব্যবহার
admin
/ ৭৮
Time View
Update :
মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
Share
মাধবপুর দুই সাংবাদিকের সঙ্গে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার দুর্ব্যবহার
নিউজ দৈনিক ঢাকার কন্ঠ মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম আবারও আলোচনায়। এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের অর্থ আত্মসাৎ, নকল বাণিজ্য, নিয়োগ বাণিজ্য ও শিক্ষকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগে যিনি দীর্ঘদিন ধরে বিতর্কিত—সেই কর্মকর্তার সর্বশেষ টার্গেট এবার সাংবাদিকরা। রবিবার দুপুরে মানবকণ্ঠ ও মুভি বাংলা টিভির উপজেলা প্রতিনিধি এম এ কাদের এবং দৈনিক কালবেলার প্রতিনিধি মুজাহিদ মসি উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে সংবাদ সংগ্রহে গেলে তাদের সঙ্গে অশোভন আচরণ করেন সিরাজুল ইসলাম।একপর্যায়ে তিনি এম এ কাদের ও মুজাহিদ মসিকে অপমানজনক কথা বলে অফিস থেকে বের করে দেন। এ সময়ের কিছু দৃশ্য গোপন ক্যামেরায় ধরা পড়ে। ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা জানান, দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন সরকারি কর্মকর্তার এমন ব্যবহার শুধু দুঃখজনকই নয়, বরং নিন্দনীয়ও। “তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, তিনি সাংবাদিকদের মানুষই মনে করেন না। সাংবাদিকতায় যারা আসেন, তারা তার কাছে তুচ্ছ,” অভিযোগ করেন এক সাংবাদিক। স্থানীয়রা বলছেন, শিক্ষা অফিসের এই দায়িত্বশীল পদে থেকে বারবার এমন আচরণ ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠলেও কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এতে...
56
নিউজ দৈনিক ঢাকার কন্ঠ
মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম আবারও আলোচনায়। এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের অর্থ আত্মসাৎ, নকল বাণিজ্য, নিয়োগ বাণিজ্য ও শিক্ষকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগে যিনি দীর্ঘদিন ধরে বিতর্কিত—সেই কর্মকর্তার সর্বশেষ টার্গেট এবার সাংবাদিকরা।
রবিবার দুপুরে মানবকণ্ঠ ও মুভি বাংলা টিভির উপজেলা প্রতিনিধি এম এ কাদের এবং দৈনিক কালবেলার প্রতিনিধি মুজাহিদ মসি উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে সংবাদ সংগ্রহে গেলে তাদের সঙ্গে অশোভন আচরণ করেন সিরাজুল ইসলাম।একপর্যায়ে তিনি এম এ কাদের ও মুজাহিদ মসিকে অপমানজনক কথা বলে অফিস থেকে বের করে দেন। এ সময়ের কিছু দৃশ্য গোপন ক্যামেরায় ধরা পড়ে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা জানান, দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন সরকারি কর্মকর্তার এমন ব্যবহার শুধু দুঃখজনকই নয়, বরং নিন্দনীয়ও। “তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, তিনি সাংবাদিকদের মানুষই মনে করেন না। সাংবাদিকতায় যারা আসেন, তারা তার কাছে তুচ্ছ,” অভিযোগ করেন এক সাংবাদিক।
স্থানীয়রা বলছেন, শিক্ষা অফিসের এই দায়িত্বশীল পদে থেকে বারবার এমন আচরণ ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠলেও কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এতে করে পুরো শিক্ষা বিভাগে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।