সংবাদ শিরোনাম
সত্যের মঞ্চ না রাজনৈতিক অঙ্গন?সাংবাদিকতা ও রাজনীতির সীমারেখা নিয়ে নতুন বৈশ্বিক ভাবনা রাজশাহীতে বিপিডব্লিউএন কৌশলগত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সংক্রান্ত আলোচনা সভা ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত রাজপথের ‘খড়কুটো’ বনাম ক্ষমতার হালুয়া-রুটি: কর্মী, তোমার বিবেক জাগবে কবে? নিকুঞ্জ থেকে পলাতক আওয়ামী লীগ নেতা রবিন হোসেন রাহাত আটক নিউইয়র্কে ডেন্টিস্ট্রিতে এমএস সম্পন্ন করলেন ডা. উম্মে রুম্মান সেজুতি প্রাথমিক শিক্ষকদের ভোগান্তি কমাতে বদলি প্রক্রিয়ায় বড় সংস্কার: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ অন্যায়ের মুখে অবিনাশী কলম ঢাকা-আঙ্কারা অক্ষ: দক্ষিণ এশীয় রাজনীতির নতুন সমীকরণ নিরাপদ খাদ্য, কৃষকের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতের প্রত্যয়ে এক ভিন্নধর্মী উদ্যোগ সাংস্কৃতিক শিক্ষা নতুন প্রজন্ম গঠনের অপরিহার্য অংশ: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

শান্তিরক্ষায় ভবিষ্যৎ মিশন হবে আরও আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

admin / ৪২ Time View
Update : বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬

53

নিউজ দৈনিক ঢাকার কন্ঠ

ঢাকা, ১০ জুন ২০২৬ (বাসস): প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের অবদান আরও শক্তিশালী করতে ভবিষ্যতের শান্তিরক্ষা মিশনগুলোকে আধুনিক, দূরদর্শী ও প্রযুক্তিনির্ভর করে গড়ে তুলতে হবে।
বুধবার সকালে ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন কিংবা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দায়িত্ব পালনের জন্য সরকার পর্যায়ক্রমে সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর আধুনিকায়নে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।
তিনি বলেন, বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার মহান দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যারা আত্মত্যাগ করেছেন, আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসে তাঁদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। ১৯৮৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত বাংলাদেশের ১৭৫ জন শান্তিরক্ষী শহীদ হয়েছেন এবং অনেকে আহত হয়েছেন। তাঁদের আত্মত্যাগ বিশ্বশান্তির পক্ষে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা প্রতিকূল পরিবেশে পরিবার-পরিজন থেকে দূরে থেকে নিষ্ঠা, সাহস ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় তাঁদের অবদানের জন্য জাতি কৃতজ্ঞ।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এ পর্যন্ত বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশের দুই লক্ষাধিক সদস্য বিশ্বের ৪৩টি দেশের প্রায় ৬৩টি শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে প্রায় ৫ হাজার ৮৬০ জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে ১০টি মিশনে কর্মরত রয়েছেন। এছাড়া হাইতিতে নতুন একটি মিশনে অংশগ্রহণের প্রস্তুতিও চলছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের চ্যালেঞ্জ বহুমাত্রিক হয়ে উঠেছে। প্রথাগত যুদ্ধের পাশাপাশি সাইবার যুদ্ধ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহার, তথ্যভিত্তিক অপপ্রচার এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত নিরাপত্তা সংকট বিশ্বশান্তির জন্য নতুন হুমকি তৈরি করছে।

তিনি আরও বলেন, “আমাদের ভবিষ্যৎ মিশনগুলো হতে হবে আরও আধুনিক, দূরদর্শী এবং প্রযুক্তিনির্ভর। পরিবর্তিত বৈশ্বিক বাস্তবতায় দক্ষ ও আধুনিক বাহিনী গড়ে তুলতে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।”
অনুষ্ঠানের শুরুতে ভিডিওচিত্রের মাধ্যমে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের অবদান তুলে ধরা হয়। পরে শহীদ শান্তিরক্ষীদের পরিবার এবং আহত সদস্যদের সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন শামা ওবায়েদ ইসলাম, এ কে এম শামছুল ইসলাম এবং ওয়াকার-উজ-জামান। এ সময় মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর ২৯ মে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস পালিত হয়। তবে পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটির কারণে বাংলাদেশে এ বছর দিবসটি ১০ জুন পালিত হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category