সংবাদ শিরোনাম
সত্যের মঞ্চ না রাজনৈতিক অঙ্গন?সাংবাদিকতা ও রাজনীতির সীমারেখা নিয়ে নতুন বৈশ্বিক ভাবনা রাজশাহীতে বিপিডব্লিউএন কৌশলগত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সংক্রান্ত আলোচনা সভা ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত রাজপথের ‘খড়কুটো’ বনাম ক্ষমতার হালুয়া-রুটি: কর্মী, তোমার বিবেক জাগবে কবে? নিকুঞ্জ থেকে পলাতক আওয়ামী লীগ নেতা রবিন হোসেন রাহাত আটক নিউইয়র্কে ডেন্টিস্ট্রিতে এমএস সম্পন্ন করলেন ডা. উম্মে রুম্মান সেজুতি প্রাথমিক শিক্ষকদের ভোগান্তি কমাতে বদলি প্রক্রিয়ায় বড় সংস্কার: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ অন্যায়ের মুখে অবিনাশী কলম ঢাকা-আঙ্কারা অক্ষ: দক্ষিণ এশীয় রাজনীতির নতুন সমীকরণ নিরাপদ খাদ্য, কৃষকের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতের প্রত্যয়ে এক ভিন্নধর্মী উদ্যোগ সাংস্কৃতিক শিক্ষা নতুন প্রজন্ম গঠনের অপরিহার্য অংশ: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

সাংস্কৃতিক শিক্ষা নতুন প্রজন্ম গঠনের অপরিহার্য অংশ: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

admin / ২২ Time View
Update : শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬

42

নিউজ দৈনিক ঢাকার কন্ঠ 

ঢাকা, ১৩ জুন ২০২৬:

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল, আত্মবিশ্বাসী ও মানবিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে প্রাথমিক শিক্ষায় সাংস্কৃতিক শিক্ষার পরিসর উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হবে। এ লক্ষ্যে ২০২৮ সাল থেকে নতুন কারিকুলামের আওতায় চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণিতে বৃহৎ পরিসরে সাংস্কৃতিক শিক্ষা কার্যক্রম চালুর পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

শনিবার ঢাকার মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে আয়োজিত জাতীয় পর্যায়ের আন্তঃপিটিআই সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা-২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের অগ্রগতির জন্য সাংস্কৃতিক শিক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গান, নাচ ও অন্যান্য সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড শিশুদের সৃজনশীলতা, আত্মবিশ্বাস এবং মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তিনি বলেন, “যারা সাংস্কৃতিক চর্চার বিরোধিতা করে, তাদের সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গির কাছে আমরা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে জিম্মি করতে পারি না। শিক্ষা ও সংস্কৃতিকে একসঙ্গে এগিয়ে নিতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর শিক্ষা-ভিশন বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে প্রাথমিক শিক্ষায় ধাপে ধাপে সাংস্কৃতিক শিক্ষা (Cultural Education) চালু করা হবে। এর মাধ্যমে এমন একটি প্রজন্ম গড়ে তোলা হবে, যারা শুধু পাঠ্যবইভিত্তিক জ্ঞানেই নয়, বরং সংস্কৃতি, সৃজনশীলতা, আত্মবিশ্বাস, নেতৃত্ব ও মানবিক মূল্যবোধেও সমৃদ্ধ হবে।

ববি হাজ্জাজ বলেন, “আমরা এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই, যেখানে শিক্ষকতা—বিশেষ করে প্রাথমিক শিক্ষকতা—একটি সম্মানজনক ও আকাঙ্ক্ষিত পেশায় পরিণত হবে। শিক্ষকদের ক্ষমতায়নের মাধ্যমেই শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ আরও উজ্জ্বল করা সম্ভব।”

প্রাথমিক শিক্ষকদের মর্যাদা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “যিনি শ্রেণিকক্ষের পূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন, তিনি শুধু ‘সহকারী’ নন, তিনি একজন শিক্ষক। শিক্ষকের পরিচয় ও মর্যাদা তার দায়িত্বের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া উচিত।”

অনুষ্ঠানে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসীসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category