সংবাদ শিরোনাম
‎যশোরে বিজিবির অভিযানে আড়াই লক্ষ টাকার মাদক ও অবৈধ মালামাল আটক সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের নতুন কমিটি গঠন মিরপুর শাহ আলী মাজারে হামলার অভিযোগ, নিন্দা জানিয়েছে সুফিবাদ ঐক্য পরিষদ মধ্যস্বত্বভোগী নির্মূলে বড় পদক্ষেপ: যশোরের কৃষকদের সাথে সরাসরি যুক্ত হচ্ছে কতকিছুর হাট আওয়ামী নেতা ও সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের প্রয়ানে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিভিন্ন মহলের শোক আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে ইমাম ও মাংস প্রস্তুতকারীগণের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ডিএনসিসি। হেযবুত তওহীদের গোলটেবিল বৈঠক “মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা” নিশ্চিতে ৯ দফা প্রস্তাবনা উল্টোপথে যানবাহন চলাচল করলেই ডিজিটাল মামলা : ডিএমপি কমিশনার চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‍্যাবের বড় অভিযান পৌনে ৭ কেজি হেরোইনসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার গুটিকয়েক মানুষের জন্য পুরো মিরপুরবাসি কষ্ট করবে এটা হতে পারে না-ডিএনসিসি প্রশাসক

সন্ত্রাসী কায়দায় প্রেসিডেন্ট গ্রেফতার, বিশ্ববিবেকের নীরবতায় উদ্বিগ্ন আন্তর্জাতিক মহল

admin / ৩৮ Time View
Update : রবিবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২৬

51

নিউজ দৈনিক ঢাকার কন্ঠ 

ডেস্ক রিপোর্ট :

একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশের নির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে সন্ত্রাসী কায়দায় গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় বিশ্বজুড়ে তীব্র উদ্বেগ ও প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। প্রকাশ্য দিবালোকে সংঘটিত এই ঘটনাকে অনেক আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্বের চরম লঙ্ঘন হিসেবে দেখছেন।

ঘটনার সময় সংশ্লিষ্ট দেশের সেনাবাহিনী কার্যত নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করে। প্রেসিডেন্টকে আটক ও অপসারণের পুরো প্রক্রিয়ায় সামরিক বাহিনীর কোনো দৃশ্যমান প্রতিরোধ দেখা যায়নি, যা দেশটির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।

সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো, এই ঘটনায় জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ও তথাকথিত বিশ্ববিবেক এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো অবস্থান নেয়নি। মানবাধিকার, গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের পক্ষে সোচ্চার প্রতিষ্ঠানগুলোর এই নীরবতা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।

আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিশ্লেষকদের মতে, এটি কেবল একটি দেশের অভ্যন্তরীণ সংকট নয়; বরং বৈশ্বিক শক্তির রাজনীতির একটি নগ্ন বহিঃপ্রকাশ। তারা বলছেন, শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলোর রাজনৈতিক ও সামরিক প্রভাবের কাছে দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর নির্বাচিত নেতৃত্ব কতটা অসহায়—এই ঘটনা তারই জ্বলন্ত উদাহরণ।

বিশেষজ্ঞরা আরও মনে করছেন, যেসব রাষ্ট্র নিজেদের ‘মুক্ত পৃথিবী’ ও ‘নিরাপদ বিশ্বব্যবস্থার রক্ষক’ হিসেবে দাবি করে, তাদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। আমেরিকা ও ইসরাইলসহ প্রভাবশালী শক্তিগুলোর অবস্থান স্পষ্ট না হওয়ায় বিশ্ব রাজনীতিতে দ্বিমুখী নীতির অভিযোগ নতুন করে সামনে এসেছে।

মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, যদি একটি দেশের প্রেসিডেন্টকে এভাবে অপসারণ করা যায় এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় নীরব থাকে, তাহলে ভবিষ্যতে যেকোনো রাষ্ট্রই একই ধরনের হস্তক্ষেপের শিকার হতে পারে। এতে বিশ্বব্যবস্থায় অস্থিরতা ও অনিরাপত্তা আরও বাড়বে।

বিশ্ববাসী এখন একটি মৌলিক প্রশ্নের মুখোমুখি—

এই আন্তর্জাতিক আইন ও বিশ্বসংস্থাগুলো কাদের জন্য কাজ করে?

নিরাপদ ও বাসযোগ্য পৃথিবী কি কেবল শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলোর জন্যই সংরক্ষিত?

বিশ্লেষকদের মতে, সত্যিকার অর্থে একটি মুক্ত ও নিরাপদ বিশ্ব গড়তে হলে শক্তির রাজনীতি নয়, বরং ন্যায়বিচার, সার্বভৌমত্ব ও সমতার ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা কার্যকর করতে হবে। অন্যথায় বিশ্ববিবেকের এই নীরবতা ভবিষ্যতে আরও বড় সংকটের জন্ম দেবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category