কাজি আরিফ হাসানঃ
বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ৩০ডিসেম্বর(মঙ্গলবার) ভোর ৬ টায় শেষ নিস্বাশ ত্যাগ করেন(ইন্নলিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাহে রাজিউন)। গত ২৩ নভেম্বর রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি। তিনি বেঁচে থাকা অবস্থায় বলেছিলেন এই বাংলাদেশের মানুষদের ফেলে আমি বিদেশে চিকিৎসা নিতে যাবো না। শেখ হাসিনা ও তার ফ্যাসিস্ট সরকারে আমলে বহুবার জেল,জুলুম ও নির্যাতনের শিকার হন এই আপোষহী দেশ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
তিনি ১ মাস ৭ দিন যাবৎ এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিলেন। গত ২৯ ডিসেম্বর(সোমবার) রাত ৯ টায় বেগম জিয়াকে দেখতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান,স্ত্রী জুবায়দা রহমান এবং নাতী জায়মা রহমান এভারকেয়ার হাসপাতালে যান। বিএনপির চেয়ারপার্সোন বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন একজন আপোষহীন দেশ নেত্রী। ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ এবং ২০০১ সালে ও ২০০৮ সালে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন।
জিয়াউর রহমানের মৃত্যু পর তিনি দলের হাল ধরেন, বেগন খালেদা জিয়ার শাসনামলে নারী শিক্ষা স্বাক্ষরতা অবদান এই বেগম খালেদা জিয়া। তিনি ছিলেন গনতন্ত্রের মানষ কন্যা। জিয়াউর রহমান বেঁচে থাকাকালীন সময় একমাত্র তিনিই ফান্টলেডি ছিলেন এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বরত হয়ে দেশ পরিচালনায় ছিলেন। দেশের গণতন্ত্রের জন্য তার অবদান অনেক। তাঁর মুত্যুতে দেশবাসীর গভীর শোক প্রকাশ। তার মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের শোক প্রকাশ। বেগম জিয়ার মৃত্যুতে দলের মহাসচিব থেকে শুরু করে স্থায়ী কমিটির সদস্যদের শোক প্রকাশ। বেগম জিয়ার মৃত্যুতে জাতি শোকাহত। তাঁর মৃত্যুতে ভারতের নরেন্দ্র মোদি,শাহবাজ শরিফ,কানাডা,চীনের প্রধানমন্ত্রীসহ বিভিন্নদেশের বিশ্ব নেতাদের শোক প্রকাশ।
বেগম জিয়ার নামাজের জানাজা ৩১ ডিসেম্বর(বুধবার) জোহরের নামাজের পর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে(সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে চিরনিদ্রায় সমাহিত হবেন। বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুদে ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা এবং ৭ দিনের কর্মসূচি ঘোষাণা করেছে বিএনপি।