নিজস্ব প্রতিনিধি| ভোলা
ভোলার দৌলতখান উপজেলা-র ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকায় মেঘনা নদীতে ভেসে উঠেছে এক পুলিশ সদস্যের মরদেহ। নিহত ওই পুলিশ সদস্য তিন দিন আগে লালমোহন উপজেলা-র মেঘনা নদীতে স্পিডবোট ডুবির ঘটনায় নিখোঁজ হন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (২০ মার্চ) বিকেলে স্থানীয়রা নদীর তীরে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত পুলিশ সদস্যের নাম মো. ফখরুল ইসলাম (৪০)। তিনি লালমোহনের মঙ্গল শিকদার পুলিশ তদন্তকেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। তার বাড়ি বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় যেভাবে ঘটে দুর্ঘটনা
পুলিশ জানায়, গত বুধবার রাতে মৎস্য অধিদপ্তরের সঙ্গে যৌথ অভিযানে মেঘনা নদী-তে অভিযান চালাচ্ছিলেন কয়েকজন পুলিশ সদস্য ও মৎস্য কর্মকর্তারা।
এ সময় তাদের ব্যবহৃত স্পিডবোটটি বিকল হয়ে স্রোতের মধ্যে ভাসতে থাকে। ঠিক তখনই একটি যাত্রীবাহী লঞ্চের সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি ডুবে যায়। ঘটনায় বোটে থাকা অন্যরা সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও কনস্টেবল ফখরুল ইসলাম নিখোঁজ হন উদ্ধার অভিযান ও মরদেহ শনাক্ত নিখোঁজের পর নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল কয়েক দফা উদ্ধার অভিযান চালায়। তবে দীর্ঘ সময়েও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।
অবশেষে তিন দিন পর দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকায় নদীর তীরে তার মরদেহ ভেসে ওঠে অস্ত্র উদ্ধার হয়নি পুলিশ জানিয়েছে, নিহত সদস্যের সঙ্গে থাকা সরকারি শটগান ও গুলি এখনো উদ্ধার করা যায়নি, যা নিয়ে তদন্ত চলছে।
পুলিশের বক্তব্য দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, মরদেহ উদ্ধার করে আইনি প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত করা হবে প্রাথমিক ধারণা
প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি দুর্ঘটনা হিসেবে মনে করা হলেও, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অন্য কোনো সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। মেঘনার স্রোত ও নৌ-দুর্ঘটনার ঝুঁকি আবারও সামনে নিয়ে এলো এই ঘটনা। একই সঙ্গে উদ্ধার না হওয়া অস্ত্র ও ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন প্রশ্ন।
আপনি চাইলে এই নিউজটিকে ফ্রন্ট পেজ লিড, টিভি স্ক্রিপ্ট, বা ব্রেকিং নিউজ ভার্সন-এ আরও আকর্ষণীয়ভাবে সাজিয়ে দিতে পারি।