সংবাদ শিরোনাম
সত্যের মঞ্চ না রাজনৈতিক অঙ্গন?সাংবাদিকতা ও রাজনীতির সীমারেখা নিয়ে নতুন বৈশ্বিক ভাবনা রাজশাহীতে বিপিডব্লিউএন কৌশলগত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সংক্রান্ত আলোচনা সভা ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত রাজপথের ‘খড়কুটো’ বনাম ক্ষমতার হালুয়া-রুটি: কর্মী, তোমার বিবেক জাগবে কবে? নিকুঞ্জ থেকে পলাতক আওয়ামী লীগ নেতা রবিন হোসেন রাহাত আটক নিউইয়র্কে ডেন্টিস্ট্রিতে এমএস সম্পন্ন করলেন ডা. উম্মে রুম্মান সেজুতি প্রাথমিক শিক্ষকদের ভোগান্তি কমাতে বদলি প্রক্রিয়ায় বড় সংস্কার: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ অন্যায়ের মুখে অবিনাশী কলম ঢাকা-আঙ্কারা অক্ষ: দক্ষিণ এশীয় রাজনীতির নতুন সমীকরণ নিরাপদ খাদ্য, কৃষকের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতের প্রত্যয়ে এক ভিন্নধর্মী উদ্যোগ সাংস্কৃতিক শিক্ষা নতুন প্রজন্ম গঠনের অপরিহার্য অংশ: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

হাওরের কৃষকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত হোক

admin / ৪১ Time View
Update : শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬

64

নিউজ দৈনিক ঢাকার কন্ঠ 

হাওরাঞ্চলের কৃষকেরা আবারও ভয়াবহ দুর্যোগের মুখোমুখি হয়েছেন। টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার প্রায় ৫৩ হাজার হেক্টর জমির বোরো ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে ক্ষতির মুখে পড়েছেন ২ লাখ ৩০ হাজারেরও বেশি কৃষক।

ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র, কৃষকের দুর্দশা এবং ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রণয়নের বিষয়টি গণমাধ্যমে গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে। তবে তালিকা প্রস্তুতের এই পর্যায়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে এসেছে—প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা কি যথাযথ সহায়তা পাবেন?

ইতোমধ্যে বিভিন্ন এলাকায় স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাব, পক্ষপাতিত্ব এবং অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অনেক সময় দেখা যায়, প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা সহায়তা থেকে বঞ্চিত হন, অথচ সুবিধাভোগীদের নাম তালিকায় স্থান পায়। যেসব কৃষকের একমাত্র বোরো ফসল পানিতে তলিয়ে গিয়ে সারা বছরের জীবিকা সংকটে পড়েছে, তাদের সঠিকভাবে চিহ্নিত করা এখন সবচেয়ে জরুরি।

আমাদের দাবি, প্রতিটি জেলা, উপজেলা ও হাওরাঞ্চলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রণয়নে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। এ লক্ষ্যে স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি কৃষি বিভাগ, কৃষক সংগঠন এবং সংশ্লিষ্ট বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে পর্যবেক্ষণ কমিটি গঠন করা যেতে পারে।

বিশেষভাবে বর্গাচাষি, ভূমিহীন ও প্রান্তিক কৃষকদের গুরুত্ব দিতে হবে। শুধু তাৎক্ষণিক খাদ্য সহায়তা নয়, আগামী মৌসুমে চাষাবাদ অব্যাহত রাখতে সার, বীজ, কৃষি উপকরণ সরবরাহ এবং কৃষিঋণ পুনঃতফসিল বা মওকুফের মতো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সহায়তা দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

হাওরাঞ্চলের কৃষকেরা দেশের খাদ্য নিরাপত্তার অন্যতম প্রধান ভিত্তি। তাদের ক্ষতি মানে জাতীয় খাদ্য উৎপাদনের ওপর সরাসরি প্রভাব। তাই প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি কৃষক যেন তার ন্যায্য সহায়তা পান, সেটিই এখন সময়ের দাবি।

সরকারের কাছে আমাদের আহ্বান—স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দ্রুততার সঙ্গে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। কারণ, কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে।

মিনহাজ উদ্দীন আত্তার


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category