সংবাদ শিরোনাম
‎যশোরে বিজিবির অভিযানে আড়াই লক্ষ টাকার মাদক ও অবৈধ মালামাল আটক সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের নতুন কমিটি গঠন মিরপুর শাহ আলী মাজারে হামলার অভিযোগ, নিন্দা জানিয়েছে সুফিবাদ ঐক্য পরিষদ মধ্যস্বত্বভোগী নির্মূলে বড় পদক্ষেপ: যশোরের কৃষকদের সাথে সরাসরি যুক্ত হচ্ছে কতকিছুর হাট আওয়ামী নেতা ও সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের প্রয়ানে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিভিন্ন মহলের শোক আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে ইমাম ও মাংস প্রস্তুতকারীগণের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ডিএনসিসি। হেযবুত তওহীদের গোলটেবিল বৈঠক “মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা” নিশ্চিতে ৯ দফা প্রস্তাবনা উল্টোপথে যানবাহন চলাচল করলেই ডিজিটাল মামলা : ডিএমপি কমিশনার চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‍্যাবের বড় অভিযান পৌনে ৭ কেজি হেরোইনসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার গুটিকয়েক মানুষের জন্য পুরো মিরপুরবাসি কষ্ট করবে এটা হতে পারে না-ডিএনসিসি প্রশাসক

হাতীবান্ধায় পুলিশের উপর আসামি পক্ষের হামলার প্রবণতা বেড়েছে, নেয়া হয়নি কোন আইনি পদক্ষেপ। 

admin / ২৮ Time View
Update : শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫

20

নিউজ দৈনিক ঢাকার কন্ঠ 

 আলতাফ হোসাইন সুমন, লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় আসামি ধরতে গিয়ে পৃথক দুটি ঘটনায় তিন পুলিশ কর্মকর্তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে । তবে হামলার দুই/ তিন দিন পার হলেও পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। এ ভাবে অহরহ হামলার ঘটনায় মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা মনোবল হারাচ্ছে ও তাদের মাঝে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

এ ব্যাপারে হাতীবান্ধা থানার ওসি শাহীন মোহাম্মদ আমানউল্লাহ সাথে কথা বললে তিনি জানান পুরো বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে তারা যেভাবে নির্দেশনা দিবেন সেভাবেই কাজ করা হবে।

জানা যায়, তারিখ ১১ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার রাতে টংভাঙা ইউনিয়নের বারোদুনিয়া  এলাকায় আসামি ধরতে গেলে আসামির পক্ষের লোকজন হাতীবান্ধা থানার উপ-পরিদর্শক আব্দুল্লাহ আল মামুন ও এএসআই আখতারুজ্জামানসহ তাদের সহযোগীদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা ‘ডাকাত ডাকাত’ বলে চিৎকার করতে থাকে। হামলায় এস আই মামুনসহ দুজন আহত হন পরে তারা স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।

এদিকে এই ঘটনার আগের দিন বুধবার রাতে সানিয়াজান ইউনিয়নের ঠ্যাংঝাড়া এলাকায় আরেকটি অভিযানে পুলিশ হামলার মুখে পড়ে। আসামি ধরতে গেলে উপ-পরিদর্শক মতিউর রহমান ও তার সাথে থাকা সদস্যদের ওপর আসামি পক্ষের লোকজন ঝাঁপিয়ে পড়ে। এতে এসআই মতিউরসহ দুই পুলিশ সদস্য আহত হন । এর আগেও একই থানার এস আই জাহিদ হাসান আসামি ধরতে গিয়ে হামলার শিকার হন।

এ ভাবে অবিরাম হামলার ঘটনায় পুলিশের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত এ ঘটনাগুলোর প্রেক্ষিতে কোন মামলা বা আইনি পদক্ষেপ না নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

তবে লালমনিরহাট জেলা পুলিশ সুপার মোঃ আসাদুজ্জামান জানান যেহেতু পুলিশ সদস্যগণ আদালতের আদেশক্রমে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ধরতে গিয়ে হামলা শিকার হয়েছেন অর্থাৎ সরকারি কাজে যারা বাধা প্রদান করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা ইতিমধ্যেই নেয়া হয়েছে। হালার সাথে যারা জড়িত তাদেরকে খুব শীঘ্রই গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নেয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category