সংবাদ শিরোনাম
সত্যের মঞ্চ না রাজনৈতিক অঙ্গন?সাংবাদিকতা ও রাজনীতির সীমারেখা নিয়ে নতুন বৈশ্বিক ভাবনা রাজশাহীতে বিপিডব্লিউএন কৌশলগত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সংক্রান্ত আলোচনা সভা ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত রাজপথের ‘খড়কুটো’ বনাম ক্ষমতার হালুয়া-রুটি: কর্মী, তোমার বিবেক জাগবে কবে? নিকুঞ্জ থেকে পলাতক আওয়ামী লীগ নেতা রবিন হোসেন রাহাত আটক নিউইয়র্কে ডেন্টিস্ট্রিতে এমএস সম্পন্ন করলেন ডা. উম্মে রুম্মান সেজুতি প্রাথমিক শিক্ষকদের ভোগান্তি কমাতে বদলি প্রক্রিয়ায় বড় সংস্কার: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ অন্যায়ের মুখে অবিনাশী কলম ঢাকা-আঙ্কারা অক্ষ: দক্ষিণ এশীয় রাজনীতির নতুন সমীকরণ নিরাপদ খাদ্য, কৃষকের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতের প্রত্যয়ে এক ভিন্নধর্মী উদ্যোগ সাংস্কৃতিক শিক্ষা নতুন প্রজন্ম গঠনের অপরিহার্য অংশ: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

সৈয়দপুরে বাড়ির নামকরণ হলো “আব্বুর স্মৃতি-কুঞ্জ”

admin / ৪০৯ Time View
Update : শুক্রবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৩

25

নিউজ দৈনিক ঢাকার কন্ঠ 

নিজস্ব প্রতিনিধি–

 

আজ পবিত্র জুম্মাবার সকাল ৯.৩০টার দিকে নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলার কয়া বাঁশবাড়ির বায়তুস সালাম রোডে একটি বাড়ির নামকরণ করা হলো “আব্বুর স্মৃতি-কুঞ্জ”। মরহুম আলহাজ্ব মোহাম্মদ হোসেন মোল্লার স্মরণে তার মৃত্যুর প্রায় ১০ বছর পর মরহুমের স্মৃতি অম্লান রাখতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে তার পরিবারের পক্ষ থেকে জানা গেছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, উক্ত মরহুম ব্যক্তি জীবনে একজন সৎ ধার্মিক বিনয়ী ও পরোপকারী ছিলেন। তিনি প্রাক্তন রেলওয়ে কর্মকর্তা (ইঞ্জিনিয়ার) ছিলেন। সারা জীবন তিনি গোপনে বহু অসহায় ও দরিদ্র মানুষের নিঃস্বার্থভাবে উপকার করতেন যা প্রায় সকলেরই অজানা। বার্ধক্য ও ডায়াবেটিস জনিত কারণে তিনি গত ০৫/০৭/২০১৩ ইংরেজি তারিখে (রোজ শুক্রবার) তার উক্ত বাসভবনে হঠাৎ ইন্তেকাল করেছিলেন এবং সৈয়দপুরের হাতিখানা কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছিল।

আরো জানা যায়,মরহুমের রেলওয়েতে চাকরির সুবাদে প্রায় ৩২ বছর আগে সৈয়দপুরে আসা হয়েছিল সপরিবারেই ।তারা ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ থানার আদিবাসী হলেও পরবর্তীতে উক্ত এলাকার সমাজ, পরিবেশ এবং মানুষের প্রতি অগাধ ভালোবাসা ও আস্থা সৃষ্টি হওয়াতে এক পর্যায়ে এখানে স্থায়ী ভাবে বসতি গড়েছিলেন ।

মরহুমের স্মৃতিচারণ সম্পর্কে তার ছেলে শোয়েব হোসেন মোল্লা বলেন,আমি জীবিকার তাগিদে ঢাকা থাকি বিধায় এখানে খুব কম আসা হয়। আব্বু নেই কিন্তু আমি সব সময় তাকে অনুভব করি। এই বাড়ির আঙিনা ও উঠান সহ সবখানেই তার স্মৃতি যেন লেগেই আছে। সময় ও পরিবেশের ব্যবধানে তার স্মৃতিযুক্ত কোন কিছুই যেন অম্লান হতে না পারে তাই তার ভালোবাসার টানে নিজ উদ্যোগে বাসার হোল্ডিং প্লেটের সাথেই তার নাম স্মৃতি একত্র করে জুড়ে দিলাম। আজ আমরা যাই করছি বা যতটুকু ভালো আছি সবই আব্বুর অবদান। তিনি আমাদের স্মৃতিতে চির জাগ্রত। মহান আল্লাহ পাক আব্বুকে ওপারে বেহেশতের সর্বোচ্চ মোকামে রাখুন এই প্রার্থনাই আজীবন করি। আব্বুর জন্য সবার কাছে মনে প্রাণে দোয়া কামনা করছি।

এলাকার স্থানীয় মহল মরহুমের প্রতি তার পরিবারের পক্ষ থেকে এই ভালোবাসা ও অনুরাগ প্রদর্শন করায় তাদেরকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

ইনসেটে উক্ত মরহুম হোসেন মোল্লা,নেমপ্লট সহ তার সহধর্মিণী হাজ্বী রোকেয়া হোসেন কে দেখা যাচ্ছে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category