সংবাদ শিরোনাম
‎যশোরে বিজিবির অভিযানে আড়াই লক্ষ টাকার মাদক ও অবৈধ মালামাল আটক সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের নতুন কমিটি গঠন মিরপুর শাহ আলী মাজারে হামলার অভিযোগ, নিন্দা জানিয়েছে সুফিবাদ ঐক্য পরিষদ মধ্যস্বত্বভোগী নির্মূলে বড় পদক্ষেপ: যশোরের কৃষকদের সাথে সরাসরি যুক্ত হচ্ছে কতকিছুর হাট আওয়ামী নেতা ও সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের প্রয়ানে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিভিন্ন মহলের শোক আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে ইমাম ও মাংস প্রস্তুতকারীগণের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ডিএনসিসি। হেযবুত তওহীদের গোলটেবিল বৈঠক “মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা” নিশ্চিতে ৯ দফা প্রস্তাবনা উল্টোপথে যানবাহন চলাচল করলেই ডিজিটাল মামলা : ডিএমপি কমিশনার চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‍্যাবের বড় অভিযান পৌনে ৭ কেজি হেরোইনসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার গুটিকয়েক মানুষের জন্য পুরো মিরপুরবাসি কষ্ট করবে এটা হতে পারে না-ডিএনসিসি প্রশাসক

রাষ্ট্রের প্রধান আয়ের উৎসেই অনিয়ম—ব্যবসায়ী-কর কর্মকর্তার যোগসাজশে হারাচ্ছে হাজার কোটি টাকা

রাজস্ব খাতে দুর্নীতি ও কর ফাঁকি: প্রশ্নের মুখে এনবিআর কর্মকর্তাদের ভূমিকা

admin / ৩৭ Time View
Update : রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬

58

নিউজ দৈনিক ঢাকার কন্ঠ 

বিশেষ প্রতিবেদন :

রাষ্ট্র পরিচালনার অন্যতম প্রধান ভিত্তি হলো রাজস্ব আয়। নাগরিকদের কাছ থেকে আদায়কৃত করের টাকায়ই চলে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, অবকাঠামো নির্মাণ, শিক্ষা-স্বাস্থ্যসহ নানা খাত। কিন্তু সেই গুরুত্বপূর্ণ খাতেই যদি দুর্নীতি ও কর ফাঁকির মতো গুরুতর অভিযোগ উঠে, তখন তা শুধু অর্থনৈতিক ক্ষতিই নয়, বরং রাষ্ট্রীয় সুশাসনের ওপরও বড় ধরনের প্রশ্ন তোলে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র ও বিভিন্ন পর্যবেক্ষণে দেখা যাচ্ছে, দেশে কর ফাঁকি ও রাজস্ব খাতে অনিয়মের সঙ্গে কিছু অসাধু কর্মকর্তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। বিশেষ করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর কিছু কর্মকর্তা ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগসাজশ করে কর ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ রয়েছে, কর নির্ধারণ প্রক্রিয়ায় ইচ্ছাকৃতভাবে আয়ের পরিমাণ কম দেখানো, ভ্যাট ফাঁকির সুযোগ দেওয়া, কাস্টমস শুল্কে অনিয়ম—এসব ক্ষেত্রেই কিছু কর্মকর্তার ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ। বিনিময়ে তারা পাচ্ছেন অবৈধ আর্থিক সুবিধা। ফলে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে, যা দেশের উন্নয়ন ব্যাহত করছে।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এই ধরনের দুর্নীতি শুধু সরকারের রাজস্ব ঘাটতি বাড়ায় না, বরং সৎ করদাতাদের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি করে এবং ব্যবসায়িক পরিবেশে বৈষম্য তৈরি করে। যারা নিয়ম মেনে কর দেন, তারা

প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়েন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজস্ব খাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হলে ডিজিটালাইজেশন বাড়ানো, কর্মকর্তাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং দুর্নীতির অভিযোগে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা জরুরি। একইসঙ্গে কর ব্যবস্থাকে সহজ ও স্বচ্ছ করা গেলে কর ফাঁকির প্রবণতাও কমবে।

এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে নানা সময় কঠোর অবস্থানের কথা বলা হলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন এখনও পুরোপুরি দৃশ্যমান নয় বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন, রাজস্ব খাতকে দুর্নীতিমুক্ত করতে হলে রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও কার্যকর নজরদারির কোনো বিকল্প নেই।

রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড হিসেবে রাজস্ব খাতের সুশাসন নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। অন্যথায় দুর্নীতি ও কর ফাঁকির এই চক্র দেশের উন্নয়নকে দীর্ঘমেয়াদে মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত করতে


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category