স্টাফ রিপোর্টার | ঢাকা
ঢাকার ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে প্রবীণ রাজনীতিক তোফায়েল আহমেদের জানাজায় বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন। জানাজাকে কেন্দ্র করে এলাকায় শোকের আবহের পাশাপাশি রাজনৈতিক কর্মীদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো।
জানাজায় উপস্থিত ছিলেন সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী, সাবের হোসেন চৌধুরীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা। জানাজা শেষে একদল নেতাকর্মী বিভিন্ন রাজনৈতিক স্লোগান দেন। তাদের স্লোগানে দলীয় আদর্শ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি এবং শেখ হাসিনাকে ঘিরে রাজনৈতিক প্রত্যাশার বিষয় উঠে আসে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, জানাজাস্থলে উপস্থিত অনেকেই ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন এবং আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকার বার্তা তুলে ধরেন। স্লোগানগুলোতে দলটির ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ভূমিকা ও নেতৃত্বের প্রতি সমর্থনের বিষয়ও প্রতিফলিত হয়।
এদিকে জানাজা শেষে স্লোগান দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ৭ জনকে আটক করেছে পুলিশ। ঢাকা মহানগর পুলিশের রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার শেখ জাহিদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, আটক ব্যক্তিদের পরিচয় যাচাই করা হচ্ছে।
পুলিশের দাবি, জানাজা শেষে কিছু ব্যক্তি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে ঘটনাস্থল থেকে তাদের আটক করা হয়। তবে আটক ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় কিংবা তাদের বিরুদ্ধে কী ধরনের আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
জানাজায় অংশগ্রহণকারীরা তোফায়েল আহমেদের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের অবদান স্মরণ করেন। তারা বলেন, দেশের রাজনীতি, গণতন্ত্র ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রতিষ্ঠায় তাঁর ভূমিকা স্মরণীয় হয়ে থাকবে। বিভিন্ন বক্তা তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
জানাজা শেষে মরহুমের জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন।
উল্লেখ্য, রাজনৈতিক স্লোগান ও বক্তব্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিজস্ব মতামত। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে আরও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে সংযোজন করা হবে।
ছবি: ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে তোফায়েল আহমেদের জানাজায় অংশগ্রহণকারী নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ।
উল্লেখিত ব্যক্তিদের পরিচয় ও আটকসংক্রান্ত সর্বশেষ তথ্য পাওয়া যায়নি কতজন গ্রেফতার হয়েছে।