রাজধানীর মুগ্ধ মঞ্চে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে চৈত্র সংক্রান্তি উদযাপন করতে যাচ্ছে উত্তরা মিডিয়া ক্লাব। বাংলা সনের শেষ দিন উপলক্ষে এই বিশেষ আয়োজন ঘিরে ইতোমধ্যেই সাংস্কৃতিক অঙ্গনে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ ও উদ্দীপনা।
চৈত্র সংক্রান্তি হলো বাংলা সনের চৈত্র মাসের শেষ দিন (সাধারণত ১৩ বা ১৪ এপ্রিল), যা পুরাতন বছরকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছর—পহেলা বৈশাখ—বরণের প্রস্তুতির উৎসব। এটি বাঙালির এক প্রাচীন লোকজ ঐতিহ্য, যা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে কৃষিভিত্তিক সমাজের আশা-আকাঙ্ক্ষা, ধর্মীয় বিশ্বাস ও সাংস্কৃতিক চেতনার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।
এই আয়োজনকে কেন্দ্র করে থাকছে গাজন ও চড়ক পূজার ঐতিহ্যবাহী উপস্থাপনা, লোকজ গান, নৃত্য, পুতুলনাচ এবং গ্রামীণ সংস্কৃতির নানা উপাদানে সাজানো মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা। বিশেষভাবে শিবের গাজনের প্রতীকী চিত্রায়ণ ও চড়ক পূজার অনুষঙ্গ দর্শকদের জন্য বাড়তি আকর্ষণ হয়ে উঠবে।
পাশাপাশি থাকবে ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ মেলার আবহ, যেখানে স্থান পাবে বিভিন্ন হস্তশিল্প, দেশীয় পণ্য এবং লোকজ সংস্কৃতির বহুমাত্রিক উপস্থাপন। আয়োজনের অংশ হিসেবে পরিবেশন করা হবে তিতা শাকসহ বিভিন্ন দেশীয় খাবার, যা সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গলের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।
উত্তরা মিডিয়া ক্লাবের নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু একটি উৎসব উদযাপন নয়, বরং নতুন প্রজন্মের কাছে বাঙালির হাজার বছরের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরা। চৈত্র সংক্রান্তির এই আয়োজনের মাধ্যমে আমরা সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চাই।”
এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে পুরাতন বছরের সব গ্লানি ও ক্লান্তিকে পেছনে ফেলে নতুন বছরের সম্ভাবনাকে বরণ করার আহ্বান জানানো হবে বলে আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেছেন।
রাজধানীর মুগ্ধ মঞ্চে উত্তরা মিডিয়া ক্লাবের বর্ণাঢ্য চৈত্র সংক্রান্তি আয়োজন
কার্যকরী কমিটির:
শফিকুল ইসলাম খান ও সাধারণ সম্পাদক জামশেদ ওয়াজেদ ।
আয়োজন কমিটির:
হুমায়ুন কবীর আহ্বায়ক ও লাকি বেগম সদস্য সচিব