আজ আমি সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা বলতে চাই। খিলক্ষেত এলাকায় সরকারি জায়গায় দলীয় অফিস স্থাপন নিয়ে সর্বস্তরে নানা প্রশ্ন ও গুঞ্জন সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ মানুষের অভিযোগ— এই অফিস জনগণের সেবা বা উন্নয়নের উদ্দেশ্যে নয়, বরং আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্ব টিকিয়ে রাখার উদ্দেশ্যে স্থাপন করা হয়েছে।
আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, সরকারি জায়গা জনগণের সম্পদ। এই জায়গা কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দখল করার অধিকার কারও নেই। রাজনৈতিক দল মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করবে, মানুষের উপর প্রভাব বিস্তার বা ভয় সৃষ্টি করার জন্য নয়।
খিলক্ষেতবাসী শান্তি চায়, নিরাপত্তা চায়, সুশাসন চায়। তারা চায় না সরকারি সম্পদকে ব্যবহার করে সাধারণ ব্যবসায়ী, পথচারী ও এলাকার মানুষকে জিম্মি করা হোক। যদি কোনো দলীয় অফিস সত্যিকার অর্থে জনগণের কল্যাণে কাজ করে, তাহলে জনগণ অবশ্যই তা সম্মানের চোখে দেখবে। কিন্তু যদি সেই অফিসকে কেন্দ্র করে চাঁদাবাজি, দখল ও সন্ত্রাসের অভিযোগ উঠে, তাহলে জনগণের মনে প্রশ্ন জাগাটা স্বাভাবিক।
আমরা প্রশাসনের কাছে আহ্বান জানাই— বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হোক। সরকারি জায়গা যেন জনগণের স্বার্থেই ব্যবহৃত হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর অপব্যবহারের সুযোগ দেওয়া যাবে না।
আসুন, আমরা দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়াই। অন্যায়কে অন্যায় বলি। খিলক্ষেতকে একটি শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও দখল-চাঁদাবাজি, মাদকমুক্ত এলাকা হিসেবে গড়ে তুলি।