সংবাদ শিরোনাম
সত্যের মঞ্চ না রাজনৈতিক অঙ্গন?সাংবাদিকতা ও রাজনীতির সীমারেখা নিয়ে নতুন বৈশ্বিক ভাবনা রাজশাহীতে বিপিডব্লিউএন কৌশলগত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সংক্রান্ত আলোচনা সভা ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত রাজপথের ‘খড়কুটো’ বনাম ক্ষমতার হালুয়া-রুটি: কর্মী, তোমার বিবেক জাগবে কবে? নিকুঞ্জ থেকে পলাতক আওয়ামী লীগ নেতা রবিন হোসেন রাহাত আটক নিউইয়র্কে ডেন্টিস্ট্রিতে এমএস সম্পন্ন করলেন ডা. উম্মে রুম্মান সেজুতি প্রাথমিক শিক্ষকদের ভোগান্তি কমাতে বদলি প্রক্রিয়ায় বড় সংস্কার: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ অন্যায়ের মুখে অবিনাশী কলম ঢাকা-আঙ্কারা অক্ষ: দক্ষিণ এশীয় রাজনীতির নতুন সমীকরণ নিরাপদ খাদ্য, কৃষকের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতের প্রত্যয়ে এক ভিন্নধর্মী উদ্যোগ সাংস্কৃতিক শিক্ষা নতুন প্রজন্ম গঠনের অপরিহার্য অংশ: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

জলঢাকায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অফিসে মিঠু ও বাদলের নেতৃত্বে সরকারি মালামাল লুট।

admin / ১২৭ Time View
Update : সোমবার, ৭ জুলাই, ২০২৫

29

নিউজ দৈনিক ঢাকার কন্ঠ 

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

নীলফামারী, তারিখ ৩০ জুন ২০২৫ ইং রাত আনুমানিক ১১. ৩০ মিনিটে জলঢাকা উপজেলার জন স্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিস থেকে প্রায় ৩০ লাখ টাকার আর সি সি পাইপ লুট করে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে।

মালামাল লুট করার সময় পথচারী ও স্থানীয় সাধারণ মানুষের হাতে ধরা পরে মালামাল লুটেরা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায় ৫ টি ভ্যানে করে মালামাল নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও পথচারী বাধা প্রদান করে।
এ সময় দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী, ছিনতাইকারী ও লুটতরাজ কারীদের অস্ত্রের মুখে পথচারীরা ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। এর কিছুক্ষণের মধ্যে জলঢাকা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরজু মো: সাজ্জাদ হোসেন সংবাদ পেয়ে ঘটনা স্হলে যান এবং দুটি ভ্যানের মালামাল আটকাতে সম্মত হন
এবং ভ্যানে থাকা মালামাল আটকে রেখে প্রায় তিন ঘন্টা অভিযান পরিচালনা করে লুটতরাজ কারী মিঠুর প্রধান সহকারী আতাউর রহমান বাদল এর বাসার পুকুর থেকে উদ্ধার করেন।
এ বিষয়টি নিয়ে জনমনে সংশয় দেখা দিলে, ঘটনাটি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহোূয়কে অবগত করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার জায়িদ ইমরুল মোজ্জাক্কিন বিষয় টি তদন্ত করে জানতে পারেন যে উক্ত মালামাল গুলি মেসার্স কামাল এন্টারপ্রাইজের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের, যাহা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিসে রক্ষিত ছিল।
উক্ত ছিনতাইকারীরা কামাল এন্টারপ্রাইজ এর ম্যানেজার জুলফিকার আলীকে জিম্মি করে পাঁচ লক্ষ টাকা দাবি করে।
দাবিকৃত টাকা দিতে অস্বীকার করলে লুটতারাজ কারী নিজেরা ভ্যান নিয়ে এসে মালামাল উঠিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।
এই ঘটনাকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য বিশেষ একটি মহল চেষ্টা করতেছে।
উল্লেখ্য যে ঠিকাদার মেসার্স কামাল এন্টারপ্রাইজের প্রোপ্রাইটর কামাল হোসেন নিজেদের নিরাপত্তার কারণে অভিযোগ এবং থানায় এজাহার করতে ভয় পাচ্ছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী অনেকেই জানান যে উক্ত লুটত্যারাজ কারীরা হলেন (১)মো; মনিরুজ্জামান মিঠু, পিতা রফিকুল ইসলাম ভোম্বল,সাং মাথাভাংগা জলঢাকা।
(২) মো: আতাউর রহমান বাদল, পিতা জোনাব আলী । বগুলা গাড়ি জলঢাকা। এূপর সাথে আরো অনেক অজ্ঞাত আসামী জড়িত ।
এই সরকারি মালামাল লুটতরাজের কারণে জলঢাকায় বর্তমানে থমথম পরিস্থিতি বিরাজ করছে ।

সরকারী মালামাল চুরির বিষয়ে জনস্বাস্থ্য প্রহরী সাংবাদিকদের জানায়, ঠিকাদারের লোকজন রাতে তালা খুলে আমাকে না জানিয়ে গোডাউন থেকে পাইপ নিয়ে গেছে।
মেসার্স কামাল এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী সজীব আহমেদ জানান, ওসব পাইপ আমার, ওগুলো ঢাকা কুরিয়ার সার্ভিসে পাঠানো হবে । সরকারি গোডাউন থেকে রাতে এভাবে নিয়ে যাওয়া ঠিক হয়নি আমার । উপজেলা জনস্বাস্হ‍্য প্রকৌশলী অফিসার আব্দুল গফুর বলেন, ওগুলো ঠিকাদারের পাইপ ওরাই নিয়ে গেছে এখানে আমার কিছু করার নেই। থানার অফিসার ইনর্চাজ আরজু মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেন, এলাকাবাসী মধ্যরাতে পাইপ আটক করে আমাদের খবর দিলে পুলিশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। ঠিকাদারের লোককে আটক করে ভ‍্যান মালিক দূইজনকে মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

জলঢাকার সাধারণ মানুষ এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং বিচার দাবি করছে । যাতে ভবিষ্যতে আর কেহ এইরকম কোন সরকারি অফিসের মালামাল লুটতারাজ করতে না পারেে।

জলঢাকায় এলাকাবাসী জানান ,বাদল এক সময় ছিলেন আওয়ামী লীগের স্বৈরাচার এবং গুপ্তচরের দোসর ।, এখন ৫ আগস্ট এর পর থেকে সরকার পোল্ট্রি খায় সে এখন চিংড়ি মাছের মতন খোসা পাল্টিয়ে, জামাত ইসলামের সাথে যোগদান করেন। মানে একদম মনে হচ্ছে ভাজা মাছটাও উল্টে খেতে জানে না এমনটি অভিযোগ করেন এলাকাবাসী। অনেকেই বলেন বাদল তার বাহিনী নিয়ে একাধিক ভাবে হামলা ও মামলা সহ মানুষকে হুমকি ধামকি করেন। সে আবার দাবি করেন আমি একজন কলেজ শিক্ষক কিন্তু শিক্ষকের মধ্যে থাকে তার একটা প্রতারণার সন্ত্রাসী বাহিনীর খোপ। কোথায় আছেনা জোর যার মুল্লুক তার মনে হয় সে আলাউদ্দিনের চেরাগ পেয়ে গেছেন এমনটাই মনে করেন জলডাঙ্গা নীলফামারী এলাকাবাসী। বাদল ও তার লোকজন নিয়ে একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে তার বিরুদ্ধে নিউজ হওয়া সত্বেও একাধিক ভাবে মানুষকে হুমকি এবং ধামকি দেন হোয়াটসঅ্যাপ কিন্তু মেসেঞ্জারে বলেন আমরা তাদের বিরুদ্ধে এক কোটি টাকা মানহানি মামলা দিব। এই নিউজটি অনলাইন থেকে সরানো না হলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিব, এমনটাই হুমকি দিচ্ছেন বাদলসহ তার বাহিনীরা। যেখানে সাংবাদিকতা সততার সাথে অন্যায়ের বিরুদ্ধে যখন কলম ধরেন তখন বাধা হয়ে দাঁড়ান কিছু কুচক্র মহল?


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category