নিজস্ব প্রতিবেদক:
স্বল্প সময়ের জন্য জার্মানের রাজধানী Berlin-এ অবস্থান শেষে ফ্রাঙ্কফুর্টে এসে পৌঁছেছেন এক প্রবাসী বাংলাদেশি। ব্যস্ততার মধ্যেও প্রিয়জনদের আন্তরিকতা তাকে মুগ্ধ করেছে।
জানা যায়, চাঁদপুরের শাহরাস্তির মেয়ের ডিগ্রি কলেজের প্রাক্তন ছাত্রনেতা, ৮০ দশকের তুখোর ছাত্রনেতা আনোয়ার ভাই নিজে উপস্থিত থাকতে না পারলেও তার ছেলেকে পাঠান রিসিভ করার জন্য। এই মানবিক উদ্যোগ প্রবাস জীবনের বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে তোলে।
অন্যদিকে, জার্মান বিএনপির পশ্চিমাঞ্চলের সভাপতি পদপ্রার্থী এবং মুন্সীগঞ্জের সাবেক বিপ্লবী ছাত্রনেতা আওলাদ ভাই খবর পেয়ে দ্রুত সেখানে উপস্থিত হন। দুই নেতার এই আন্তরিকতা ও সৌহার্দ্য প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
প্রবাস জীবনের ব্যস্ততা আর দূরত্বের মাঝেও এমন মানবিক সম্পর্কই মানুষকে করে তোলে আপন—এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের জন্য দোয়া করা হয়, আল্লাহ যেন তাদের সম্মান আরও বৃদ্ধি করেন। অনুপ্রেরণার গল্প: Abdul Qadir Gilani (রহ.) ও অহংকারী মাঝি ইতিহাসের পাতায় একটি শিক্ষণীয় ঘটনা আজও মানুষকে পথ দেখায়। বাগদাদের এক নদীতে পারাপার করতেন এক অহংকারী মাঝি। নিজের শক্তি ও দক্ষতা নিয়ে তার গর্ব ছিল সীমাহীন।
একদিন ঘাটে এসে দাঁড়ালেন বড় পীর Abdul Qadir Gilani (রহ.)। নৌকায় উঠতে চাইলে মাঝি তাচ্ছিল্যের সুরে ভাড়া দাবি করে বসে। কিন্তু হযরত কিছু না বলে আল্লাহর নাম নিয়ে পানির ওপর দিয়ে হেঁটে নদী পার হতে শুরু করেন। বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যায় মাঝি। মুহূর্তেই তার অহংকার ভেঙে যায়। দৌড়ে এসে ক্ষমা চায় এবং তওবা করে নতুন জীবনের পথে ফিরে যায়।
শিক্ষণীয় বার্তা
অহংকার মানুষকে অন্ধ করে আল্লাহ যাকে চান তাকেই সম্মান দেন মানুষকে অবজ্ঞা করা বড় গুনাহ বিনয়ই প্রকৃত মর্যাদা মনে রাখুন:
মানুষের বাহ্যিক রূপ নয়, অন্তরের মূল্যই সবচেয়ে বড়। কারণ আল্লাহর প্রিয় বান্দারা অনেক সময় সাধারণ বেশেই আমাদের মাঝে থাকেন।