দুমকি উপজেলার মুরাদীয়ায়, নড়বড়ে বাঁশের সাঁকোতে ঝুঁকিপূর্ণ পারাপার, দুর্ঘটনার শঙ্কা!
admin
/ ৭৩
Time View
Update :
শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
Share
দুমকি উপজেলার মুরাদীয়ায়, নড়বড়ে বাঁশের সাঁকোতে ঝুঁকিপূর্ণ পারাপার, দুর্ঘটনার শঙ্কা!
নিউজ দৈনিক ঢাকার কন্ঠ দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলায় , জরাজীর্ণ বাঁশের সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দারা যাতায়াত করছেন। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।সাঁকোটি মুরাদিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ মুরাদিয়ার পশ্চিম মুরাদিয়া সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে স্থানীয়দের সহায়তায় নির্মিত। প্রায় পাঁচটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন এটি ব্যবহার করেন।দীর্ঘদিন ধরে রক্ষণাবেক্ষণ না হওয়ায় সাঁকোটি নড়বড়ে ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। শিক্ষার্থীরা জানান, পারাপারের সময় প্রায়ই পানিতে পড়ে বইপত্র নষ্ট হয়েছে এবং শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। অভিভাবকরা জানিয়েছেন, বিষয়টি জনপ্রতিনিধির কাছে জানিয়েও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সাঁকোটি দিয়ে শুধু শিক্ষার্থীরাই নয়, সাধারণ মানুষও উপজেলা শহর ও পাশের জামলা ও কলবাড়ী বাজারে যাতায়াত করেন। ফলে ঝুঁকি আরও বেড়ে গেছে। মুরাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান ফোরকান বলেন, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার জন্য আয়রন ব্রিজ নির্মাণ জরুরি। ইউনিয়ন পরিষদের কিছু নির্মাণ সামগ্রী থাকলেও উপজেলার বরাদ্দ ছাড়া কাজ সম্ভব নয়। ইতোমধ্যে এলজিইডি বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুজর...
42
নিউজ দৈনিক ঢাকার কন্ঠ
দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি :
পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলায় , জরাজীর্ণ বাঁশের সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দারা যাতায়াত করছেন। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।সাঁকোটি মুরাদিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ মুরাদিয়ার পশ্চিম মুরাদিয়া সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে স্থানীয়দের সহায়তায় নির্মিত। প্রায় পাঁচটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন এটি ব্যবহার করেন।দীর্ঘদিন ধরে রক্ষণাবেক্ষণ না হওয়ায় সাঁকোটি নড়বড়ে ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। শিক্ষার্থীরা জানান, পারাপারের সময় প্রায়ই পানিতে পড়ে বইপত্র নষ্ট হয়েছে এবং শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। অভিভাবকরা জানিয়েছেন, বিষয়টি জনপ্রতিনিধির কাছে জানিয়েও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সাঁকোটি দিয়ে শুধু শিক্ষার্থীরাই নয়, সাধারণ মানুষও উপজেলা শহর ও পাশের জামলা ও কলবাড়ী বাজারে যাতায়াত করেন। ফলে ঝুঁকি আরও বেড়ে গেছে।
মুরাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান ফোরকান বলেন, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার জন্য আয়রন ব্রিজ নির্মাণ জরুরি। ইউনিয়ন পরিষদের কিছু নির্মাণ সামগ্রী থাকলেও উপজেলার বরাদ্দ ছাড়া কাজ সম্ভব নয়। ইতোমধ্যে এলজিইডি বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুজর মো. ইজাজুল হক জানান, বিষয়টি তদারকির মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।।