সংবাদ শিরোনাম
সত্যের মঞ্চ না রাজনৈতিক অঙ্গন?সাংবাদিকতা ও রাজনীতির সীমারেখা নিয়ে নতুন বৈশ্বিক ভাবনা রাজশাহীতে বিপিডব্লিউএন কৌশলগত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সংক্রান্ত আলোচনা সভা ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত রাজপথের ‘খড়কুটো’ বনাম ক্ষমতার হালুয়া-রুটি: কর্মী, তোমার বিবেক জাগবে কবে? নিকুঞ্জ থেকে পলাতক আওয়ামী লীগ নেতা রবিন হোসেন রাহাত আটক নিউইয়র্কে ডেন্টিস্ট্রিতে এমএস সম্পন্ন করলেন ডা. উম্মে রুম্মান সেজুতি প্রাথমিক শিক্ষকদের ভোগান্তি কমাতে বদলি প্রক্রিয়ায় বড় সংস্কার: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ অন্যায়ের মুখে অবিনাশী কলম ঢাকা-আঙ্কারা অক্ষ: দক্ষিণ এশীয় রাজনীতির নতুন সমীকরণ নিরাপদ খাদ্য, কৃষকের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতের প্রত্যয়ে এক ভিন্নধর্মী উদ্যোগ সাংস্কৃতিক শিক্ষা নতুন প্রজন্ম গঠনের অপরিহার্য অংশ: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ১৫, ক্ষতিগ্রস্ত ৪৯ লাখ মানুষ

admin / ২১৮ Time View
Update : শুক্রবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৪

44

নিউজ দৈনিক ঢাকার কন্ঠ 

ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলে কক্সবাজারে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন/ ছবি- জাগো নিউজ

দেশে চলমান বন্যায় এগারো জেলায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৫ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন প্রায় ৪৯ লাখ (৪৮ লাখ ৬৯ হাজার) মানুষ।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) সন্ধ্যা পর্যন্ত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের চলমান বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে তৈরি করা এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে এদিন দুপুরে সচিবালয়ে চলমান বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুল হাসান জানিয়েছিলেন, বন্যায় দেশের ১১ জেলায় ৪৬ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মারা গেছেন ১৩ জন।

বন্যা তীব্র আকার ধারণ করেছে ফেনীতে। এছাড়া বন্যা কবলিত হয়েছে চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, নোয়াখালী, সিলেট, মৌলভীবাজার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, লক্ষ্মীপুর, হবিগঞ্জ, খাগড়াছড়ি ও কক্সবাজার জেলা।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১১ জেলায় মোট ক্ষতিগ্রস্ত লোকসংখ্যা ৪৮ লাখ ৬৯ হাজার ২৯৯ জন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ৯ লাখ ৪৬ হাজার ৭৬৯টি।

এখন পর্যন্ত বন্যায় মোট ১৫ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে দুজন নারী। কুমিল্লায় ৪ জন, ফেনীতে একজন, চট্টগ্রামে ৪ জন, নোয়াখালীতে একজন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একজন, লক্ষ্মীপুরে একজন এবং কক্সবাজারে তিনজন মারা গেছেন।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুল হাসান জানান, এখন পর্যন্ত ৩ হাজার ১৬০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে এক লাখ ৮৮ হাজার ৭৩৯ জন আশ্রয় নিয়েছেন।

তবে সন্ধ্যায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, পানিবন্দি ক্ষতিগ্রস্ত লোকদের আশ্রয় দিতে মোট ৩ হাজার ১৭৬টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে মোট এক লাখ ৯৫ হাজার ৩০ জন মানুষ এবং ১৮ হাজার ৯৬টি গবাদি পশুকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে।

ত্রাণ কার্যক্রমের বিষয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বন্যাদুর্গত ১১ জেলায় মোট ৩ কোটি ৫২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ত্রাণের চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ২০ হাজার ১৫০ টন। এছাড়া শুকনো ও অন্যান্য খাবারের প্যাকেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১৫ হাজার পিস।

দেশের সব জেলায় পর্যাপ্ত ত্রাণসামগ্রী মজুত রয়েছে জানিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, বন্যাকবলিত জেলার জেলা প্রশাসককে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, মেডিকেল টিম ও অন্যান্য স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে সমন্বয় করে একসঙ্গে কাজ করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে সার্বক্ষণিক কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। তথ্য ও সহযোগিতার জন্য ০২-৫৫১০১১১৫ নম্বর চালু রয়েছে। ফেনী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া, কুমিল্লা, হবিগঞ্জ ও লক্ষ্মীপুর জেলার বন্যা উপদ্রুত এলাকায় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও বিজিবি জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে উদ্ধারকাজে নিয়োজিত রয়েছে‌ বলে জানিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।

প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়েছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এবং সচিব বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য বন্যা উপদ্রুত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন। উপদেষ্টা এখনো উপদ্রুত এলাকায় অবস্থান করছেন। শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াও বর্তমানে উপদ্রুত এলাকায় অবস্থান করছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category