বিশেষ প্রতিবেদন
ঢাকা, গত তারিখ ৮ মে ২০২৬ ইং (শুক্রবার) সাংবাদিক ও চলচ্চিত্র সহযোগী পরিচালক রহিম খানের বাসায় দুপুরে খাবার নিয়ে আসেন বসুন্ধরা এলাকার বাসিন্দা লিয়া। রহিম খান এর বাসায় কয়েকদিন পানি সরবরাহ বন্ধ থাকায় লিয়া আন্তরিক হয়ে নিজ হাতে খাবার নিয়ে আসেন মীরপুর তেরো ঢাকা মডেল কলেজের পাশে পাঁচ নাম্বার বাড়ি জনাব সামসুদদিনের নীচ তলায়। সেখানে বাড়ি ওয়ালা সহ আরো কয়েকজন মটর সার্ভিস এর কাজ করছেন। কিন্তু আকস্মিকভাবে সেখানে বিএনপি নামধারী বখাটে স্বপন দলবল নিয়ে হাজির হয়ে আগত অতিথি লিয়াকে ধর্ষণ করার উদ্দেশ্য তুলে নিয়ে যেতে চায়। উপস্থিত সবাই স্বপনের কর্মকাণ্ড দেখে বিস্মিত। স্বপন বলে সতেরো বছর খাইনি এখন খাওয়ার সময়।
তারা এলাকার চিহ্নিত বখাটে হওয়ায় আশেপাশের লোকজন সাহস করে কিছু বলেনা। স্বপন মেয়েটিকে তুলে নিতে আরেক বখাটে হাবিব দেওয়ান কে ফোন করে নিয়ে আসে। উপস্থিত সবাই বলে পুলিশ কে অথবা ৯৯৯ কল দিয়ে পুলিশের সহযোগিতা নিতে। স্বপন বলে পুলিশ আসার আগেই যে কল দিবে তার লাশ এখানে পড়ে থাকবে। তাদের উদ্দেশ্য লিয়াকে নিয়ে ধর্ষণ করবে। লিয়া একপর্যায়ে আত্মহত্যা করবে বলে আত্নচিৎকার দিলে এলাকার কতিপয় যুবক ফয়সাল সহ বেশ কয়েকজন সাহসিকতার সাথে এগিয়ে এসে লিয়াকে উদ্ধার করে তার বাসায় পৌঁছে দেয়।
অভিযুক্ত স্বপন ও হাবিব জোর পূর্বক ঘটনাস্থল থেকে বিশ হাজার টাকা চাঁদা নিয়ে সরে পড়ে। তার কিছুক্ষণ পর আবার হাবিব দেওয়ান সহ এসে আরো পঞ্চাশ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। নয়লে উপস্থিত ভাড়াটে রহিম ও ফয়সালকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দেখে বাড়িওয়ালা সহ সবাই সরে যায়। হাবীব জোরপূর্বক রহিম খান এর কাছ থেকে একটি ব্লানক চেক নিয়ে যায়। কোরবানি ঈদের জন্য তাকে ও কমিশনার প্রার্থী জনি দেওয়ানের ভাই হাবিব দেওয়ান কে এক লাখ টাকা দিতে হবে।
এক মাসের মধ্যে চেক পাশ না হলে প্রাণনাশের হুমকি সহ লাঞ্চিত করার ধমক দিয়ে যায়। চেকটি তারা স্থানীয় যুবক ফয়সালের হেফাজতে রেখে বলে ফয়সাল এ চেক তুই পাশ না করে দিলে তোর ও খবর আছে। বিষয়টি মৌখিকভাবে কাফরুল থানার ওসি সাজ্জাদ সাবকে জানানো হলে তিনি লিখিত অভিযোগ দিতে বলেন। কিন্তু বাদী পুনঃ নিরাপত্তা নিশ্চিত না হয়ে থানায় অভিযোগ দিতে যায়নি। কারন পুরো মীরপুর তেরো বিএনপি পরিচয়ে তাদের অসংখ্য বখাটে লোকজন থানায় অভিযোগ দিলে বাদীর উপর আক্রমণ করতে পারে।
পুরো ঘটনা তদন্ত করে চিহ্নিত চাঁদাবাজ স্বপন আর হাবিব দেওয়ানকে আইনের আওতায় না আনলে বাদীর ক্ষতির আশঙ্কা বিদ্যমান। পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করলে চাঁদার জন্য নেয়া চেকটি ও নগদ বিশ হাজার টাকা উদ্ধার করতে পারবে। উল্লেখ্য বিএনপি আসার পর থেকে মীরপুর তেরো মন্দিরের আশেপাশে স্বপন ও হাবিব দেওয়ানের চাঁদাবাজির অসংখ্য তথ্য সাধারণ মানুষ সাক্ষী দিবে। সংযুক্ত স্বপনের ছবি ও মোবাইল নাম্বার।