নিজস্ব প্রতিবেদক:
জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে বক্তব্য দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের ইতিহাস তুলে ধরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম উল্লেখ করেছেন। সংসদের কার্যক্রম ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি এই প্রসঙ্গ টানেন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ ২০২৬) জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্র দীর্ঘ সংগ্রাম ও ইতিহাসের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সেই ইতিহাসের অংশ হিসেবে ১৯৭৩ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম জাতীয় সংসদের কার্যক্রমের কথাও তিনি স্মরণ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সে সময় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সংসদের কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন এবং সংসদীয় রীতিনীতি প্রতিষ্ঠায় উদ্যোগী ছিলেন। সেই ঐতিহ্য থেকেই বর্তমান সংসদকে আরও কার্যকর ও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান তিনি।
তারেক রহমান বলেন, “জাতীয় সংসদ হলো জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলনের জায়গা। জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের এই সংসদকে দেশের সব সমস্যার সমাধানের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, দল-মত নির্বিশেষে দেশের মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করতে সংসদকে কার্যকর করা জরুরি। এজন্য সরকার ও বিরোধী দলসহ সব রাজনৈতিক শক্তিকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অবদান রাখা নেতৃবৃন্দ ও শহীদদের প্রতিও শ্রদ্ধা জানান। একই সঙ্গে একটি উন্নত, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
বিশ্লেষকদের মতে, সংসদের প্রথম অধিবেশনে ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বদের উল্লেখ এবং সংসদীয় ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরা রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে। এর মাধ্যমে দেশের গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা ও ঐতিহ্যের প্রতি গুরুত্বারোপের ইঙ্গিত পাওয়া যায়।
আপনি চাইলে আমি এটাকে আরও শক্তিশালী পত্রিকার ফরম্যাটে (লিড, কোট, ব্যাকগ্রাউন্ডসহ সম্পূর্ণ রিপোর্ট) বানিয়ে দিতে পারি, যেটা সরাসরি দৈনিক ঢাকার কণ্ঠ বা অন্য পত্রিকায় প্রকাশ করা যাবে।