সংবাদ শিরোনাম
‎যশোরে বিজিবির অভিযানে আড়াই লক্ষ টাকার মাদক ও অবৈধ মালামাল আটক সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের নতুন কমিটি গঠন মিরপুর শাহ আলী মাজারে হামলার অভিযোগ, নিন্দা জানিয়েছে সুফিবাদ ঐক্য পরিষদ মধ্যস্বত্বভোগী নির্মূলে বড় পদক্ষেপ: যশোরের কৃষকদের সাথে সরাসরি যুক্ত হচ্ছে কতকিছুর হাট আওয়ামী নেতা ও সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের প্রয়ানে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিভিন্ন মহলের শোক আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে ইমাম ও মাংস প্রস্তুতকারীগণের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ডিএনসিসি। হেযবুত তওহীদের গোলটেবিল বৈঠক “মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা” নিশ্চিতে ৯ দফা প্রস্তাবনা উল্টোপথে যানবাহন চলাচল করলেই ডিজিটাল মামলা : ডিএমপি কমিশনার চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‍্যাবের বড় অভিযান পৌনে ৭ কেজি হেরোইনসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার গুটিকয়েক মানুষের জন্য পুরো মিরপুরবাসি কষ্ট করবে এটা হতে পারে না-ডিএনসিসি প্রশাসক

শরৎ চন্দ্রের মহেশ গল্পের কাশিপুর জমিদার বাড়ি সংস্কারের অভাবে ধবংসের দ্বারপ্রান্তে

admin / ৫৬৩ Time View
Update : সোমবার, ২৭ মার্চ, ২০২৩

42

 

নিউজ দৈনিক ঢাকার কন্ঠ 

মাহমুদ হাসান রনি দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি 

চুয়াডাঙ্গার, ২৭/০৩/২৩ইং সোমবার জীবননগরে “মামাবাড়ি” নামে খ্যাত কথাসাহিত্যিক শরৎ চন্দ্র চট্টপাধ্যায়ের স্মৃতি বিজরিত মামা বাড়ি মহেশ গল্পের কাশিপুর জমিদারবাড়ি অযত্ন, অবহেলা ও সংস্কারের অভাবে আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে।

জীবননগর উপজেলার শহর থেকে মাত্র সাত কিলোমিটার দূরে কেডিকে ইউনিয়নের কাশীপুর গ্রামে এই জমিদার বাড়িটি অবস্থিত। এই জমিদার বাড়িটি বিশেষভাবে পরিচিত কারণ জনপ্রিয় লেখক, ঔপন্যাসিক, গল্পকার ও কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের স্মৃতি বিজড়িত স্থান হিসেবে কালের সাক্ষী হয়ে আজও আছে। কারণ তিনি তার একমাত্র মামাবাড়ি কাশিপুর বেড়াতে এসে রচনা করেন তার জনপ্রিয় ছোট গল্প ‘মহেশ’। জানা যায়, ১৮৬১ সালে জীবননগর উপজেলার কেডিকে ইউনিয়নের কাশিপুর গ্রামে জমিদার বাড়িটি নির্মাণ করা হয়। এ বাড়িতে থাকতেন কথা সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টপাধ্যায়ের মামা জমিদার বিনয় কুমার মজুমদার। পশ্চিম বঙ্গের নদীয়া জেলার অন্তর্গত ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের আগে এ এলাকার বিশাল অংশ জুড়ে ছিল তার জমিদারি ও শাসন। দাপটের সাথে তিনি শাসন চালিয়ে ছিলেন।

বর্তমান বসবাসরত বাসিন্দাদের পূর্বপুরুষদের সঙ্গে দেশভাগের আগে ভারতে ১২শ’ বিঘা জমি বিনিময় করে বিনয় কুমার মজুমদার পরিবার নিয়ে ভারতে চলে যান। বাড়িটির পাশ দিয়ে বয়ে গেছে ভৈরব নদ। বর্তমানে সংস্কারের অভাবে ভবনটি একেবারে জড়াজীর্ণ। কালের সাক্ষী তা আজ হারাতে বসেছে ইতিহাস।আর সংস্কারের অভাবে তার সৌন্দর্য আজ হারাতে বসেছে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category