সংবাদ শিরোনাম
বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বাবা-মায়ের কবরে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা গুমের শিকার ব্যক্তিদের সরাসরি ন্যায়বিচারের পথ সুগম করেছে প্রস্তাবিত আইন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৫০% পেনশন সমর্পণকারীদের ১০ দফা দাবি সমর্পিত অর্থ ফেরতসহ বৈষম্য নিরসনে দ্রুত নীতি প্রণয়নের আহ্বান ঢাকা ১৮ আসনের মাননীয় সাংসদ জনাব এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন সাহেব এর সাথে উত্তরা কম্পিউটার সমিতির সভাপতি বেলাল মোল্লা মেহেদী র নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলের শুভেচ্ছা বিনিময়। এ সময়ে উত্তরা কম্পিউটার সমিতির সদস্য দের সুবিধা অসুবিধা নিয়ে বিশদ আলোচনা করা হয়। সাংসদ উত্তরা কম্পিউটার ব্যবসায়ীদের সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে তুরাগবাসীসহ দেশবাসীকে আব্দুর রহমান বুলুর শুভেচ্ছা  দক্ষিণখানে ৯ বছরের শিশু ধর্ষণের অভিযোগ, আসামি গ্রেফতার মামলা তুলে নিতে শিশুটির পরিবারকে হুমকির অভিযোগ স্পার সাইনবোর্ডে আড়ালের ব্যবসা? গুলশানে শাহ আলম-রাজুর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ, তদন্তের দাবি পশ্চিম আইনুছবাগ হাউস ওনার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের নবনির্বাচিত কমিটির পরিচিতি সভা বাড়ি-ফ্ল্যাট ও জমির মালিকদের স্বার্থ রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় উত্তরা মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামলার অভিযোগ, আহত পরিচালকসহ ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা এমপির(পিএস) এর আপন ভাই শানুরকে আটক করেও থানা থেকে ছেড়ে দেয় পুলিশ! অভিযোগ এলাকা বাসির

কিশোরী অপহরণ-ধর্ষণের অভিযোগে রাসেল গ্রেপ্তার, তদন্তে এসআই জিয়াউর রহমানের সাহসী ভূমিকা

admin / ৪২ Time View
Update : বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬

নিউজ দৈনিক ঢাকার কন্ঠ 

সুমন খান:

রাজধানীর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরীকে অপহরণ করে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগে মো. রাসেল ওরফে হাসান (২৪) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরী দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানাধীন হাসনাবাদ এলাকার একটি দোকানে দর্জির কাজ করত। গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে হাসনাবাদ হাউজিং এলাকায় তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে রাসেল ওরফে হাসানের বিরুদ্ধে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, এ সময় অজ্ঞাতনামা আরও ২-৩ জন ব্যক্তি তাকে সহযোগিতা করে।
পরিবারের অভিযোগ, কিশোরীকে পরে অভিযুক্তের গ্রামের বাড়ি বাগেরহাটের যাত্রাপুর এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। বিষয়টি জানতে পেরে পরিবারের সদস্যরা স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করেন। পরে অসুস্থ অবস্থায় কিশোরীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসা শেষে পরিবারের সদস্যরা তার কাছ থেকে ঘটনার বিস্তারিত জানতে পারেন বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

কিশোরীর বাবা মো. আমির হোসেন হাওলাদার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় দেওয়া লিখিত অভিযোগে দাবি করেন, তার মেয়েকে জোরপূর্বক অপহরণের পর অভিযুক্ত রাসেল তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। একই সঙ্গে ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা এসআই জিয়াউর রহমানের,অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাটিকে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত শুরু করে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ। তদন্তের অংশ হিসেবে অভিযোগের বিভিন্ন তথ্য, ভুক্তভোগীর বক্তব্য, উদ্ধার-সংক্রান্ত তথ্য এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হয়।পুলিশের তদন্তে অভিযুক্ত রাসেল ওরফে হাসানের অবস্থান শনাক্ত হওয়ার পর অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরবর্তীতে সাহসিকতার সঙ্গে অভিযান চালিয়ে এসআই জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানা গেছে।স্থানীয়দের ভাষ্য, গুরুতর অভিযোগের বিষয়টি সামনে আসার পর পুলিশ দ্রুত তৎপর হওয়ায় অভিযুক্তকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে।

বিশেষ করে তদন্তকারী কর্মকর্তার দায়িত্বশীলতা ও অভিযানে দৃঢ় ভূমিকার বিষয়টি প্রশংসিত হয়েছে।শুধু গ্রেপ্তার নয়, পুরো ঘটনার রহস্য উদঘাটনের দাবি,তবে এই ঘটনার তদন্তে এখনো বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর পাওয়া জরুরি। কিশোরীকে কীভাবে অপহরণ করা হয়েছিল, কারা তাকে সহযোগিতা করেছিল, বাগেরহাটে তাকে কোথায় রাখা হয়েছিল এবং ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত ছিল কি না—এসব বিষয় তদন্তের মাধ্যমে পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন।পুলিশের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট চিকিৎসা ও ফরেনসিক নথি, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য যাচাই করা হলে ঘটনার প্রকৃত চিত্র বেরিয়ে আসতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।পরিবারের প্রত্যাশা, দৃষ্টান্তমূলক বিচার,অভিযুক্ত গ্রেপ্তার হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার।

তাদের প্রত্যাশা, তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে আদালতের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত হবে।
এদিকে, গ্রেপ্তার হওয়া রাসেল ওরফে হাসানের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। অভিযোগের সত্যতা ও দায়-দায়িত্ব আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে।একজন কিশোরীর নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচারের প্রশ্নে এই মামলার তদন্ত যেন কোনোভাবেই প্রভাবিত না হয়,এমনটাই প্রত্যাশা পরিবার ও সচেতন মহলের। একই সঙ্গে তদন্তে দায়িত্বশীল ভূমিকা রেখে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category