নিজস্ব প্রতিবেদক :
রাজধানীর দক্ষিণখান থানার ফায়দাবাদ এলাকায় একটি বাসার গ্রিল কেটে প্রবেশ করে এক নারীকে শ্বাসরোধে হত্যার পর স্বর্ণালংকার ও টাকা লুটের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। প্রথমদিকে ঘটনাটি ডাকাতি হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা হলেও তদন্তে নতুন তথ্য পাওয়ার পর নিহতের স্বামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
নিহত সারাহ রোকসানা পিনু (৩৫)-এর মরদেহ ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে দক্ষিণখান থানা পুলিশ ও সিআইডির একটি দল। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
নিহতের বোন সারাহ সুলতানা পলি বাদী হয়ে দক্ষিণখান থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
ডিএমপির উত্তরা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মির্জা আহমেদ বেগ গণমাধ্যমকে জানান, অপরাধী যতই কৌশলী হোক না কেন, কোনো না কোনো আলামত রেখে যায়। তিনি বলেন, ঘটনাস্থলের বারান্দায় পাওয়া দুই জোড়া জুতার মধ্যে এক জোড়া জুতার মাপ নিহতের স্বামী সোহেল রানার জুতার সঙ্গে মিলে যায়। ওই আলামতের ভিত্তিতে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।
পুলিশের তথ্যমতে, গত ৩০ জুলাই বিকেলে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সোহেল রানার সঙ্গে তার স্ত্রীর পারিবারিক কলহ ছিল। কয়েকজন অভিযোগ করেন, তিনি পরকীয়ায় জড়িত ছিলেন এবং এ কারণে প্রায়ই স্ত্রীকে মারধর করতেন। তাদের দাবি, তার আচরণের কারণে এলাকার কয়েকজন ভাড়াটিয়াও বাসা পরিবর্তন করেছিলেন।
জানা গেছে, সোহেল রানা রাজধানীর একটি ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত গ্রেফতারকৃত সোহেল রানাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছিল পুলিশ।